বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কৌশলগত অংশীদারত্বে কর্মীদের কল্যাণে নতুন উদ্যোগ আকিজ রিসোর্সের তরুণদের চাকরিপ্রার্থী নয় উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার সমাজকল্যাণমন্ত্রী শক্তি বাড়ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের, বুধবার অন্ধ্র উপকূলে আঘাতের শঙ্কা পীরগঞ্জে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবকের বাড়িসহ তিন বাড়িতে হামলা, গ্রেপ্তার ২ অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে চট্টগ্রামে জামায়াত নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি ২৯ অক্টোবর হচ্ছে না এইচএসসির ফল, নতুন তারিখ ৩১ অক্টোবর ৩৫০ বছর আগে বিলুপ্ত ডোডো পাখি পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনছেন বিজ্ঞানীরা! ১ নভেম্বর চার মাসের বকেয়াসহ বাড়তি বেতন, তবে পাচ্ছেন না সবাই ভুয়া বিলের মাধ্যমে রেলওয়ের ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, দুদকের মামলা ১৪ জনের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ঘিরে পীরগঞ্জে তিন হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

বদিউল আলম মজুমদার ক্ষমতায় গেলে হাতে জাদুর কাঠি, বেড়ে যায় সম্পদ

  • সবশেষ আপডেট : রবিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৬৫ জন সংবাদটি দেখেছেন

সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, ক্ষমতায় যাওয়ার মাধ্যমে অর্থবিত্তের মালিক হওয়া যায় এবং নির্বাচনে জয়ী প্রার্থীদের হাতে জাদুর কাঠি চলে আসে, বেড়ে যায় তাদের সম্পদ। তিনি বলেন, রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আছি। এই ঋণ শোধ করতে হবে। জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিষয়ে ইশতেহারে রাজনৈতিক দলগুলোর সুস্পষ্ট বক্তব্য থাকতে হবে।

দলগুলো ‘হ্যাঁ’ নাকি ‘না’ ভোটের পক্ষে তা সুস্পষ্ট করতে হবে। 

গতকাল রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে ‘গণ অভ্যুত্থানের আকাক্সক্ষায় কেমন নির্বাচনি ইশতেহার চাই’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সুজন আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের কোষাধ্যক্ষ সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ।

বদিউল আলম মজুমদার বলেন, বিগত নির্বাচনগুলোতে দেখা গেছে জয়ী প্রার্থীরা ক্ষমতায় যাওয়ার মাধ্যমে অর্থবিত্তের মালিক হয়েছেন এবং তাদের সম্পদ বৃদ্ধি পেয়েছে।

ক্ষমতার সঙ্গে জাদুর কাঠি রয়েছে। রাজনীতিবিদদের জানাতে হবে এমন অর্থবিত্তের মালিক হওয়ার সুযোগ, রাজনীতির ব্যবসায়ীকরণের অবসান তারা কীভাবে ঘটাবেন। তিনি আরও বলেন, নির্বাচনি ইশতেহার একটি লিখিত চুক্তি। স্বাক্ষরিত না হলেও এটি ভোটারদের সঙ্গে দলগুলোর চুক্তিনামা।
এটি অমান্য করলে নাগরিকদের যেন আদালতে যাওয়ার সুযোগ থাকে। পক্ষান্তরে দলগুলো তাদের অঙ্গীকার কতটা বাস্তবায়ন করেছে এ বিষয়ে মানুষ যেন প্রশ্ন করতে পারে। আমরা দেখেছি, নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগ ‘দিন বদলের সনদ’ নামে একটি ইশতেহার দিয়েছিল। পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ তাদের অঙ্গীকার ভুলে গেছে। এজন্য তাদের মাশুলও দিতে হয়েছে।
তাই রাজনৈতিক দলগুলোকে আইন মেনে কাজ করতে হবে। তাঁরা গণতান্ত্রিক না হলে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে না।এ ছাড়া নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এ কে এম ওয়ারেসুল করিম ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত হওয়া উচিত-এমন ১৫টি বিষয় সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সুজনের নির্বাহী কমিটির সদস্য একরাম হোসেন ও দিলিপ কুমার সরকার।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com