ফেনী–৩ (দাগনভূঞা–সোনাগাজী) আসনে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ফখরুদ্দিন আহম্মদ মানিককে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনী হলফনামায় “ডাক্তার” পদবি উল্লেখ না থাকলেও প্রচারণায় ‘ডা.’ পদবি ব্যবহার করায় সংশ্লিষ্ট অনুসন্ধান কমিটির বিচারিক কর্মকর্তা সাজ্জাতুন নেছা এ নোটিশ জারি করেন।
লিগ্যাল কমিটির পক্ষ থেকে নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটিতে অভিযোগ জানানো হয় যে— প্রার্থী ব্যবহৃত পোস্টার, লিফলেট, ব্যানার ও ফেস্টুনে নিজের নামের আগে ‘ডা.’ পদবি ব্যবহার করছেন, অথচ তার দাখিলকৃত নির্বাচনী হলফনামায় কোনো মেডিকেল ডিগ্রি (এমবিবিএস/বিডিএস) বা চিকিৎসক পরিচয় নেই।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, এটি নির্বাচনী আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২–এর ৭৭(৩)(খ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
নোটিশে ফখরুদ্দিন মানিককে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে— কেন এই আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হবে না?
তাকে ৮ ফেব্রুয়ারি (রোববার) সকাল ১১:৩০–এ ফেনীর ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের অস্থায়ী কার্যালয়ে (যুগ্ম জেলা জজ আদালত) সশরীরে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা জমা দিতে বলা হয়েছে।
শোকজ প্রসঙ্গে জানতে যোগাযোগ করা হলে প্রার্থী মানিকের ফোন রিসিভ করেন তার মিডিয়া প্রতিনিধি পরিচয়ধারী আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন— “শোকজ নোটিশ সম্পর্কে আমরা এখনো কিছু জানি না।”
গত বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) শোকজ নোটিশ জারি হলেও শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপকভাবে জানাজানি হয়।