ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য সাফল্যের পর এবার সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে প্রস্তুতি শুরু করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আনুপাতিক হিসাব অনুযায়ী এবার দলটির ভাগে প্রায় ১২টি সংরক্ষিত নারী আসন পড়তে পারে।
সাম্প্রতিক নির্বাচনে প্রায় ৩০ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে নতুন রেকর্ড গড়ে দলটি। ২২৩টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামায়াত ৬৮টি আসনে জয়লাভ করেছে। নির্বাচন কমিশনের আনুপাতিক বণ্টন পদ্ধতিতে ৩০০ আসনের বিপরীতে থাকা ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসন থেকে দলটির উল্লেখযোগ্য অংশ পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
যদিও সরাসরি নির্বাচনে জামায়াতের কোনো নারী প্রার্থী ছিল না, তবে সংরক্ষিত আসনের জন্য ইতোমধ্যে প্রায় ২০ জন সম্ভাব্য প্রার্থীর একটি প্রাথমিক তালিকা দলটির মহিলা বিভাগ থেকে আমিরের দপ্তরে জমা দেওয়া হয়েছে।
দলীয় সূত্র জানিয়েছে, সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য প্রার্থী বাছাইয়ে চারটি বিষয়কে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে—
জানা গেছে, মহিলা বিভাগের ১৫টি আঞ্চলিক শাখা থেকে পাঠানো মূল্যায়ন ও তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতেই সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।
দলটির সিনিয়র সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, জামায়াত গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। তৃণমূলের মতামত নিয়ে আলোচনা-পরামর্শের মাধ্যমেই সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে।
এদিকে জামায়াতের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়া ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি)–ও সংরক্ষিত নারী আসনে প্রতিনিধি পাঠানোর পরিকল্পনা করছে। দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া জানান, রাজপথের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অবদান রাখা এবং দলীয় আদর্শে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নেত্রীদের মধ্য থেকেই একজনকে মনোনয়ন দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।
দলীয় সূত্র বলছে, মজলিসে শূরা ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা শেষে শিগগিরই চূড়ান্ত তালিকা নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হবে।