বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কৌশলগত অংশীদারত্বে কর্মীদের কল্যাণে নতুন উদ্যোগ আকিজ রিসোর্সের তরুণদের চাকরিপ্রার্থী নয় উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার সমাজকল্যাণমন্ত্রী শক্তি বাড়ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের, বুধবার অন্ধ্র উপকূলে আঘাতের শঙ্কা পীরগঞ্জে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবকের বাড়িসহ তিন বাড়িতে হামলা, গ্রেপ্তার ২ অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে চট্টগ্রামে জামায়াত নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি ২৯ অক্টোবর হচ্ছে না এইচএসসির ফল, নতুন তারিখ ৩১ অক্টোবর ৩৫০ বছর আগে বিলুপ্ত ডোডো পাখি পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনছেন বিজ্ঞানীরা! ১ নভেম্বর চার মাসের বকেয়াসহ বাড়তি বেতন, তবে পাচ্ছেন না সবাই ভুয়া বিলের মাধ্যমে রেলওয়ের ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, দুদকের মামলা ১৪ জনের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ঘিরে পীরগঞ্জে তিন হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

ঈদের পর বৃহত্তর কর্মসূচির ইঙ্গিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি-র

  • সবশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬
  • ১৪৮ জন সংবাদটি দেখেছেন

ঈদুল ফিতরের পর রাজপথে বৃহত্তর কর্মসূচির ইঙ্গিত দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন, গণভোট কার্যকর এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবিতে আন্দোলনে যাওয়ার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে দল দুটি।

জুলাই আদেশ অনুযায়ী, নির্বাচনের ফলের গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে সংবিধান সংস্কার পরিষদের প্রথম অধিবেশন আহ্বানের কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা হয়নি। এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। জাতীয় সংসদেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

সরকারি পক্ষ বলছে, সংবিধানে এ ধরনের পরিষদের কোনো বিধান না থাকায় সরাসরি অধিবেশন আহ্বান সম্ভব নয়। এ বিষয়ে সংসদে আলোচনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান সংসদে উদ্বেগ জানিয়ে বলেন, সংকটের সমাধান সংসদের ভেতরেই হওয়া উচিত। তবে তা না হলে রাজপথের আন্দোলনে যেতে বাধ্য হতে পারে বিরোধী পক্ষ।

অন্যদিকে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, সরকার সংস্কার প্রক্রিয়া থেকে সরে আসছে। তিনি বলেন, সংস্কার বাস্তবায়ন না হলে সংসদ ও রাজপথ—দুই জায়গাতেই আন্দোলন চলবে।

সম্প্রতি ১১ দলীয় ঐক্যের বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। জোটের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানিয়েছেন, দ্রুত কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। দাবি পূরণ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে যাওয়ারও ইঙ্গিত দেন তিনি।

জোট নেতাদের অভিযোগ, গণভোটে জনগণের সমর্থন থাকা সত্ত্বেও তা বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে সরকার। তাদের মতে, এটি জনগণের রায়ের প্রতি অবমাননা।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংবিধান সংশোধন ছাড়া নতুন কোনো কাঠামো তৈরি করা সম্ভব নয়। তাই এ বিষয়ে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা জরুরি বলে মনে করছে সরকার।

সব মিলিয়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন নিয়ে তৈরি হওয়া অচলাবস্থা দ্রুত নিরসন না হলে ঈদের পর রাজনৈতিক মাঠ আরও উত্তপ্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com