মিয়ানমারের সাবেক সামরিক শাসক মিন অং হ্লাইং দেশটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম Al Jazeera এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
অং সান সূচির নির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থানের পর এক বছরের মধ্যে নির্বাচন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মিন অং হ্লাইং। তবে সেই নির্বাচন আয়োজন করতে প্রায় পাঁচ বছর সময় লেগেছে।
সংবিধান অনুযায়ী সেনাপ্রধানের পদ ছাড়লেও বিশ্লেষকদের মতে, নতুন ব্যবস্থায় সামরিক প্রভাব এখনো বহাল রয়েছে। সংসদে তার অনুগতদের প্রাধান্য এবং সেনাবাহিনীর জন্য নির্ধারিত আসন অক্ষুণ্ণ রয়েছে।
এছাড়া একটি শক্তিশালী পরামর্শদাতা পরিষদ গঠন করা হয়েছে, যার হাতে বেসামরিক ও সামরিক উভয় ক্ষেত্রেই প্রভাব বিস্তারের ক্ষমতা থাকবে।
অভ্যুত্থানের পর থেকেই দেশজুড়ে সহিংসতা বেড়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে হাজারো মানুষের প্রাণহানি হয়েছে এবং লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে Myanmar-এ প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ মানুষ মানবিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তায় রয়েছেন এবং প্রায় ৪০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত।
দেশটিতে গ্রেপ্তার, নির্যাতন ও দমন-পীড়নের অভিযোগও উঠে এসেছে। আন্দোলনকারীদের ওপর কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে।
নতুন সেনাপ্রধান হিসেবে নিজের ঘনিষ্ঠ সহযোগীকে নিয়োগ দিয়েছেন মিন অং হ্লাইং, যা সামরিক প্রভাব অব্যাহত থাকার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।