মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কৌশলগত অংশীদারত্বে কর্মীদের কল্যাণে নতুন উদ্যোগ আকিজ রিসোর্সের তরুণদের চাকরিপ্রার্থী নয় উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার সমাজকল্যাণমন্ত্রী শক্তি বাড়ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের, বুধবার অন্ধ্র উপকূলে আঘাতের শঙ্কা পীরগঞ্জে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবকের বাড়িসহ তিন বাড়িতে হামলা, গ্রেপ্তার ২ অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে চট্টগ্রামে জামায়াত নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি ২৯ অক্টোবর হচ্ছে না এইচএসসির ফল, নতুন তারিখ ৩১ অক্টোবর ৩৫০ বছর আগে বিলুপ্ত ডোডো পাখি পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনছেন বিজ্ঞানীরা! ১ নভেম্বর চার মাসের বকেয়াসহ বাড়তি বেতন, তবে পাচ্ছেন না সবাই ভুয়া বিলের মাধ্যমে রেলওয়ের ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, দুদকের মামলা ১৪ জনের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ঘিরে পীরগঞ্জে তিন হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

পহেলা বৈশাখে ইলিশের দামে আগুন প্রতি কেজি ৩৫০০ টাকা , ক্রেতাদের হাঁসফাঁস

  • সবশেষ আপডেট : সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৮২ জন সংবাদটি দেখেছেন

আরএনবি ডেস্কঃ

পহেলা বৈশাখে রাজধানীসহ সারাদেশে হু হু করে বেড়েছে ইলিশের দাম। চাহিদা বাড়লেও সরবরাহ কম থাকায় বাজারে বড় সাইজের ইলিশ প্রায় দুষ্প্রাপ্য হয়ে পড়েছে। ফলে খুচরা পর্যায়ে রেকর্ড দামে বিক্রি হচ্ছে জাতীয় মাছ ইলিশ।

পটুয়াখালীর আলীপুর ও মহিপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের পাইকারি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সীমিত পরিসরে ছোট ও মাঝারি সাইজের ইলিশ পাওয়া গেলেও বড় ইলিশের দেখা মিলছে না। পাইকারিতে এক কেজি ওজনের ইলিশের মন বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ১০ হাজার থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকায়। ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৮০ হাজার থেকে ৯০ হাজার টাকা এবং ৪০০ থেকে ৬০০ গ্রামের ইলিশ ৬০ হাজার থেকে ৭০ হাজার টাকায় লেনদেন হচ্ছে।

পাইকারি দামের প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারেও। রাজধানীর কারওয়ান বাজার, নয়াবাজার, মালিবাগ ও শ্যামলীর বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৩৫০০ থেকে ৪০০০ টাকায়। ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রামের ইলিশ ২৫০০-২৮০০ টাকা, ৪০০-৬০০ গ্রামের ইলিশ ১৫০০-২০০০ টাকা এবং ছোট জাটকা বিক্রি হচ্ছে ৭০০-৭৫০ টাকা কেজি দরে।

বিক্রেতারা জানান, এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিপ্রতি ইলিশের দাম বেড়েছে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত। ভালো মানের পদ্মার ইলিশ বর্তমানে ৩৮০০-৪০০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে, যা সপ্তাহখানেক আগেও ছিল ৩২০০-৩৫০০ টাকা।

মৎস্য সংশ্লিষ্টদের মতে, জ্বালানি সংকটে পর্যাপ্ত মাছ ধরা না যাওয়া, ১৫ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা, বাজারে সরবরাহ ঘাটতি এবং পহেলা বৈশাখকে ঘিরে বাড়তি চাহিদার কারণে দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে।

কলাপাড়ার এক ক্রেতা সাইদুর রহমান বলেন, “পহেলা বৈশাখের পর আত্মীয়-স্বজন আসবে, তাই ইলিশ কিনতে এসেছিলাম। কিন্তু বাজারে বড় মাছ নেই, ছোট যেগুলো আছে সেগুলোর দামও খুব বেশি। আমাদের মতো মানুষের পক্ষে কেনা কঠিন।”

রাজধানীর শ্যামলীর বাজারে আসা আরেক ক্রেতা আসাদ বলেন, “ভালো বেতন পাওয়ার পরও এবার ইলিশ কেনার সাহস হচ্ছে না। দাম এত বেশি যে নাগালের বাইরে চলে গেছে।”

শুধু ইলিশ নয়, অন্যান্য মাছের দামও বেড়েছে। বাজারে ২০০ টাকার নিচে কোনো মাছ পাওয়া যাচ্ছে না। পাঙ্গাশ ২০০ টাকা, তেলাপিয়া ২৩০ টাকা, রুই ৩৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০-৩০০ টাকা, দেশি টেংরা ৬০০ টাকা, চিংড়ি ৯০০ টাকা, শোল ৭০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

নয়াবাজারে বাজার করতে আসা মো. সহিদুল ইসলাম বলেন, “রোজার সময়ও এত দাম ছিল না। ঈদের পর হঠাৎ সবকিছুর দাম বেড়ে গেছে। পরিবারের জন্য মাছ-মাংস কেনাই এখন কঠিন হয়ে গেছে।”

এ অবস্থায় ভোক্তারা বাজার মনিটরিং জোরদার করে ইলিশসহ নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখার দাবি জানিয়েছেন।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com