বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কৌশলগত অংশীদারত্বে কর্মীদের কল্যাণে নতুন উদ্যোগ আকিজ রিসোর্সের তরুণদের চাকরিপ্রার্থী নয় উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার সমাজকল্যাণমন্ত্রী শক্তি বাড়ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের, বুধবার অন্ধ্র উপকূলে আঘাতের শঙ্কা পীরগঞ্জে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবকের বাড়িসহ তিন বাড়িতে হামলা, গ্রেপ্তার ২ অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে চট্টগ্রামে জামায়াত নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি ২৯ অক্টোবর হচ্ছে না এইচএসসির ফল, নতুন তারিখ ৩১ অক্টোবর ৩৫০ বছর আগে বিলুপ্ত ডোডো পাখি পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনছেন বিজ্ঞানীরা! ১ নভেম্বর চার মাসের বকেয়াসহ বাড়তি বেতন, তবে পাচ্ছেন না সবাই ভুয়া বিলের মাধ্যমে রেলওয়ের ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, দুদকের মামলা ১৪ জনের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ঘিরে পীরগঞ্জে তিন হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

শিবিরের ‘গুপ্ত রাজনীতি’ কেন—প্রকাশ্যে আসার আহ্বান ডাকসু সদস্য সর্বমিত্র চাকমার

  • সবশেষ আপডেট : শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১২১ জন সংবাদটি দেখেছেন
শিবিরের ‘গুপ্ত রাজনীতি’ কেন—প্রকাশ্যে আসার আহ্বান ডাকসু সদস্য সর্বমিত্র চাকমার

দেশের পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ইসলামী ছাত্রশিবিরের রাজনীতি নিয়ে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। সংগঠনটির ‘গুপ্ত রাজনীতি’ চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাদের প্রকাশ্যে রাজনীতিতে আসার আহ্বান জানিয়েছেন ডাকসু সদস্য সর্বমিত্র চাকমা।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে সর্বমিত্র চাকমা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার আর ক্ষমতায় নেই—এ অবস্থায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের গোপনে রাজনীতি করার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তার মতে, সংগঠনটির উচিত প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করা।

তিনি লেখেন, “ছাত্রশিবিরের ‘গুপ্ত রাজনীতি’ করার দরকার কী? এখন তো আওয়ামী লীগ সরকারে নেই। তাদের প্রকাশ্য রাজনীতিতে আসা উচিত—এটা আমার ব্যক্তিগত চাওয়া।”

তবে বাস্তবতার একটি জটিল দিকও তুলে ধরেন তিনি। তার ভাষায়, দীর্ঘদিন ধরে সমাজে এমন একটি ধারণা গড়ে উঠেছে যে ‘শিবিরের কর্মী’ যেন হত্যাযোগ্য। যদিও রাষ্ট্রীয়ভাবে সংগঠনটির ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই, তবুও সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিসরে তাদের বিরুদ্ধে সহিংস মনোভাব বিদ্যমান বলে মন্তব্য করেন তিনি।

একটি সাম্প্রতিক বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এক ছাত্রদল নেতার ‘শিবিরদের হত্যা’ সংক্রান্ত মন্তব্য সামাজিক বাস্তবতারই প্রতিফলন। একই ধরনের বক্তব্য অন্য কোনো সংগঠনকে উদ্দেশ্য করে দেওয়া হলে তীব্র প্রতিক্রিয়া হতো বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সর্বমিত্র চাকমা আরও বলেন, সমাজে মানবাধিকার নিয়ে যারা সোচ্চার, তাদের কাছ থেকেও শিবিরের নেতা-কর্মীদের বিষয়ে দৃশ্যমান প্রতিক্রিয়া খুব কম দেখা যায়। এতে একটি বৈষম্যমূলক অবস্থার ইঙ্গিত পাওয়া যায় বলে তিনি মনে করেন।

স্ট্যাটাসের শেষাংশে তিনি জোর দিয়ে বলেন, শিবিরের প্রকাশ্য রাজনীতিতে আসা উচিত—তবে তার আগে সমাজকে তাদের মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে। “তাদের ‘হত্যাযোগ্য প্রাণ’ হিসেবে দেখার প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে,” যোগ করেন তিনি।সর্বমিত্র চাকমার এই মন্তব্য নতুন করে ছাত্ররাজনীতি, সহনশীলতা ও মানবাধিকার নিয়ে আলোচনা সামনে এনেছে। পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতায় ইসলামী ছাত্রশিবির কী পথে এগোবে—সে প্রশ্নও আবার আলোচনায় উঠে এসেছে।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com