বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কৌশলগত অংশীদারত্বে কর্মীদের কল্যাণে নতুন উদ্যোগ আকিজ রিসোর্সের তরুণদের চাকরিপ্রার্থী নয় উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার সমাজকল্যাণমন্ত্রী শক্তি বাড়ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের, বুধবার অন্ধ্র উপকূলে আঘাতের শঙ্কা পীরগঞ্জে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবকের বাড়িসহ তিন বাড়িতে হামলা, গ্রেপ্তার ২ অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে চট্টগ্রামে জামায়াত নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি ২৯ অক্টোবর হচ্ছে না এইচএসসির ফল, নতুন তারিখ ৩১ অক্টোবর ৩৫০ বছর আগে বিলুপ্ত ডোডো পাখি পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনছেন বিজ্ঞানীরা! ১ নভেম্বর চার মাসের বকেয়াসহ বাড়তি বেতন, তবে পাচ্ছেন না সবাই ভুয়া বিলের মাধ্যমে রেলওয়ের ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, দুদকের মামলা ১৪ জনের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ঘিরে পীরগঞ্জে তিন হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

২০৫০ সালের মধ্যে শতভাগ নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব

  • সবশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬
  • ১৩২ জন সংবাদটি দেখেছেন

২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বজুড়ে শতভাগ নিরবচ্ছিন্ন ও কার্বনমুক্ত বিদ্যুৎব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রযুক্তিগতভাবে সম্ভব বলে জানিয়েছে নতুন এক গবেষণা। তবে এ লক্ষ্য অর্জনে ব্যাপক পরিসরে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অবকাঠামো নির্মাণ প্রয়োজন হবে। বিশেষ করে সৌরবিদ্যুতের জন্য বিপুল পরিমাণ জমির দরকার হতে পারে।

সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়-সহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের গবেষকদের করা এ গবেষণার তথ্য প্রকাশ করেছে Tech Xplore। গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে Nature Energy-তে।

গবেষণায় ২০৫০ সালের বৈশ্বিক বিদ্যুৎ চাহিদাকে ভিত্তি ধরে বছরের প্রতিটি ঘণ্টার সম্ভাব্য বিদ্যুৎ উৎপাদন ও ব্যবহার বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এতে সৌর ও বায়ুশক্তির প্রাপ্যতা, ভূমি ব্যবহার এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র থেকে ভোক্তা এলাকার দূরত্ব বিবেচনায় নেওয়া হয়।

গবেষকদের মতে, বিশ্বব্যাপী যদি ১৫ থেকে ২০ টেরাওয়াট পরিবর্তনশীল নবায়নযোগ্য জ্বালানি স্থাপন করা যায়, তাহলে নিট-শূন্য কার্বন নির্গমনভিত্তিক বিদ্যুৎব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

তারা জানান, অধিকাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্পদ বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী এলাকার প্রায় ২০০ কিলোমিটারের মধ্যেই অবস্থিত। ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা তুলনামূলক সহজ হতে পারে।

তবে গবেষণায় সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় জমিকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। হিসাব অনুযায়ী, শুধু সৌর প্যানেল স্থাপনের জন্যই ৯০ লাখ হেক্টরের বেশি জমি প্রয়োজন হতে পারে।

গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলসহ নিম্ন আয়ের দেশগুলো নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রাচুর্যের কারণে তুলনামূলক কম খরচে বিদ্যুতের সুবিধা পেতে পারে।

গবেষকদের মতে, পরিচ্ছন্ন বিদ্যুৎব্যবস্থা শুধু পরিবেশ রক্ষাই করবে না, বরং মানুষের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অন্যান্য মৌলিক সেবায় প্রবেশাধিকারও বাড়াবে। পাশাপাশি গ্যাস, তেল ও কয়লার মতো জীবাশ্ম জ্বালানির অস্থির বাজারের ওপর নির্ভরতা কমে দীর্ঘমেয়াদে বিদ্যুতের খরচও স্থিতিশীল হতে পারে।

গবেষণায় বিদ্যুৎ ব্যবহারের সময় ও পদ্ধতিতে পরিবর্তনের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কম চাহিদার সময়ে গৃহস্থালি যন্ত্রপাতি ব্যবহার এবং স্মার্ট এনার্জি ব্যবস্থার প্রয়োগ করলে বিদ্যুৎব্যবস্থার মোট ব্যয় বছরে প্রায় ১৮২ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত কমানো সম্ভব বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

গবেষকদের ভাষ্য, সবার জন্য গ্রহণযোগ্য জীবনমান নিশ্চিত করে এমন কার্বনমুক্ত বৈশ্বিক বিদ্যুৎব্যবস্থা প্রযুক্তিগতভাবে বাস্তবসম্মত। তবে এ লক্ষ্য অর্জনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ই হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com