নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগে গাইবান্ধার ট্রাফিক সার্জেন্ট জাহাঙ্গীর ক্লোজ
সবশেষ আপডেট :
রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬
২
জন সংবাদটি দেখেছেন
নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগে গাইবান্ধার ট্রাফিক বিভাগের সার্জেন্ট জাহাঙ্গীরকে ক্লোজ (পুলিশ লাইনে সংযুক্ত) করা হয়েছে। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগ ওঠার পর প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট বিভাগ তাকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধা ট্রাফিক বিভাগের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) আলতাব হোসেন।
স্থানীয় সূত্র ও ট্রাফিক বিভাগের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাফিক সচেতনতা ও সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক বিভিন্ন কনটেন্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করতেন সার্জেন্ট জাহাঙ্গীর। এ সময় নিঝুম নামে এক নারী কনটেন্ট ক্রিয়েটরের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৭ জুন রাতে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী পৌরসভার হরিণমারী এলাকার একটি ভাড়া বাসায় ওই নারী কনটেন্ট ক্রিয়েটরের সঙ্গে অবস্থানকালে স্থানীয়দের হাতে অবরুদ্ধ হন তিনি। স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে বাসাটি ঘিরে ফেলেন বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় বিভিন্ন সূত্র থেকে দাবি করা হয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে ইয়াবা উদ্ধার হয়েছিল। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ঘটনার পর একটি প্রভাবশালী মহলের হস্তক্ষেপে এবং আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে ওই রাতেই সংশ্লিষ্টদের ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। যদিও ঘটনাটি তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ্যে আসেনি, কয়েকদিন পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আলতাব হোসেন বলেন, “পলাশবাড়ীর ঘটনাকে কেন্দ্র করে সার্জেন্ট জাহাঙ্গীরকে ক্লোজ করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত ও যাচাই-বাছাই করছে পুলিশ বিভাগ।”
তবে অভিযোগের বিষয়ে সার্জেন্ট জাহাঙ্গীর কিংবা অভিযুক্ত নারী কনটেন্ট ক্রিয়েটরের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, অভিযোগের বিষয়গুলো এখনও তদন্তাধীন। পুলিশ বিভাগের তদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত সত্যতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।