বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০৯ অপরাহ্ন

দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন ঢাবি শিক্ষার্থীরা: প্রধানমন্ত্রী

  • সবশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬
  • ১১৬ জন সংবাদটি দেখেছেন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী গণ-অভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের ফ্যাসিবাদবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনসহ দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নেতৃত্ব দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাত ৯টায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রাচ্যের অক্সফোর্ডখ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯২১ সাল থেকে দেশে উচ্চশিক্ষা, জ্ঞানচর্চা ও গবেষণায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে তিনি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

তিনি বলেন, বিভিন্ন সময়ে স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অসংখ্য শিক্ষার্থী জীবন দিয়েছেন। তাদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার সম্ভব হয়েছে। এখন গণতন্ত্রকে আরও সুসংহত করার দায়িত্বও বিশ্ববিদ্যালয়সহ তরুণ সমাজের ওপর বর্তায়।

বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও উচ্চশিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’-কে সময়োপযোগী উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উচ্চশিক্ষাকে আধুনিক ও বাস্তবমুখী করতে হবে।

তিনি শিক্ষা কারিকুলামে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), সাইবার সিকিউরিটি, প্রোগ্রামিং, ডিজিটাল এন্টারপ্রেনারশিপ, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, ন্যানোটেকনোলজি এবং ফাইভ-জি প্রযুক্তির মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তারেক রহমান বলেন, শিক্ষাকে শুধু সার্টিফিকেটনির্ভর না রেখে কর্মদক্ষতা ও ব্যবহারিক জ্ঞানের ওপর জোর দিতে হবে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় বাড়িয়ে ইন্টার্নশিপ, অ্যাপ্রেন্টিসশিপ এবং গবেষণা সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান তিনি।

মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগ এবং গবেষণার সংস্কৃতি জোরদারের ওপরও গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের ও বিদেশের প্রতিষ্ঠিত অ্যালামনাইদের গবেষণা ও উদ্ভাবন কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করা গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মান আরও উন্নত হবে।

এছাড়া সংস্কৃতি, খেলাধুলা, সৃজনশীলতা, নৈতিক শিক্ষা, মানসিক স্বাস্থ্য, পরিবেশ সচেতনতা এবং উদ্যোক্তা তৈরির বিষয়গুলো উচ্চশিক্ষার সঙ্গে সমন্বিত করারও আহ্বান জানান তিনি।

বার্তার শেষে প্রধানমন্ত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com