মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কৌশলগত অংশীদারত্বে কর্মীদের কল্যাণে নতুন উদ্যোগ আকিজ রিসোর্সের তরুণদের চাকরিপ্রার্থী নয় উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার সমাজকল্যাণমন্ত্রী শক্তি বাড়ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের, বুধবার অন্ধ্র উপকূলে আঘাতের শঙ্কা পীরগঞ্জে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবকের বাড়িসহ তিন বাড়িতে হামলা, গ্রেপ্তার ২ অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে চট্টগ্রামে জামায়াত নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি ২৯ অক্টোবর হচ্ছে না এইচএসসির ফল, নতুন তারিখ ৩১ অক্টোবর ৩৫০ বছর আগে বিলুপ্ত ডোডো পাখি পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনছেন বিজ্ঞানীরা! ১ নভেম্বর চার মাসের বকেয়াসহ বাড়তি বেতন, তবে পাচ্ছেন না সবাই ভুয়া বিলের মাধ্যমে রেলওয়ের ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, দুদকের মামলা ১৪ জনের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ঘিরে পীরগঞ্জে তিন হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

নাগেশ্বরীতে ট্যাগ কর্মকর্তা ছাড়াই এইচএসসি পরীক্ষা, দায়িত্ব দেওয়া হয় ফোনে

  • সবশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬
  • ১০৩ জন সংবাদটি দেখেছেন

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় এইচএসসির তিনটি পরীক্ষা কেন্দ্রে নির্ধারিত ট্যাগ কর্মকর্তা অনুপস্থিত থাকায় বিকল্প কর্মকর্তাদের মুঠোফোনে দায়িত্ব দিয়ে পরীক্ষা পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (১৩ জুলাই) পদার্থবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান ও যুক্তিবিদ্যা বিষয়ের পরীক্ষার দিন এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, নাগেশ্বরী সরকারি কলেজ কেন্দ্রের ট্যাগ কর্মকর্তা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ফিরোজ হোসেন ছুটিতে থাকায় সকালে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম প্রশ্নপত্র সরবরাহ করেন। পরীক্ষা শুরুর প্রায় আধা ঘণ্টা পর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জামাল হোসেনকে ফোন করে কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনের অনুরোধ করা হয়। পরে তিনি কেন্দ্রে উপস্থিত হন।

জামাল হোসেন বলেন, তিনি মূলত কচাকাটা ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রের দায়িত্বে ছিলেন। অফিসে প্রতিবন্ধী জরিপ থাকায় ছুটিতে ছিলেন। পরে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার অনুরোধে নাগেশ্বরী সরকারি কলেজ কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করেন।

এদিকে নাগেশ্বরী মহিলা ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রের ট্যাগ কর্মকর্তা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন প্রশিক্ষণে থাকায় ওই কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম।

অন্যদিকে, কচাকাটা ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছুটিতে থাকায় কেদার ইউনিয়নের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ এবং উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামকে মুঠোফোনে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

ভূমি সহকারী কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ বলেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার ফোন পেয়ে তিনি দায়িত্ব পালন করেন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কোনো নির্দেশ তিনি পাননি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম বলেন, পর্যাপ্ত কর্মকর্তা না থাকায় তিনি নিজ উদ্যোগে সহকারী কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দিয়েছেন। তিনি বলেন, “ইউএনও নয়, আমিই তাদের দায়িত্ব দিয়েছি।”

এ ঘটনায় প্রশাসনিক উদাসীনতার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় শিক্ষা-সংশ্লিষ্টরা। জেলা উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও সাংবাদিক সাইয়েদ আহমেদ বাবু বলেন, পাবলিক পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব শুধু ফোনে দেওয়া অনভিপ্রেত এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা উচিত।

নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খোদাদাদ হোসেন বলেন, ট্যাগ কর্মকর্তাদের লিখিতভাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কেউ দায়িত্বে উপস্থিত না হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা যদি নিজ উদ্যোগে ফোনে দায়িত্ব দিয়ে থাকেন, তবে সেটির দায়ভার তার।

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, ট্যাগ কর্মকর্তা নিয়োগের দায়িত্ব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার। মুঠোফোনে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষই ব্যাখ্যা করতে পারবেন।

উল্লেখ্য, এ বছর কুড়িগ্রাম জেলায় ২৭টি এইচএসসি কেন্দ্রে ১২ হাজার ২১০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। এর মধ্যে নাগেশ্বরী উপজেলার আটটি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৯৭৬ জন।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com