গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে নিখোঁজের দুই দিন পর একটি পুকুর থেকে ১৩ মাস বয়সী শিশু মাইশা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস। মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার আরাজী ছান্দিয়াপুর গ্রামের আশরাফ আলীর পুকুর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মাইশা ওই এলাকার মোফাজ্জল হোসেন ও রুমি বেগম দম্পতির মেয়ে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত রোববার সকালে বাড়ির পাশ থেকে হঠাৎ নিখোঁজ হয় শিশু মাইশা। পরিবারের সদস্যরা আশপাশের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।
পরে শিশুটি বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে যেতে পারে—এমন সন্দেহে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুকুরে তল্লাশি অভিযান চালায়। দিনভর খোঁজাখুঁজি করেও শিশুটির কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর মঙ্গলবার বিকেলে আশরাফ আলীর পুকুরে শিশু মাইশার মরদেহ ভেসে ওঠে।
পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করেন।
যে পুকুরে শিশুটির সন্ধানে আগে তল্লাশি চালানো হয়েছিল, দুই দিন পর সেই পুকুর থেকেই তার মরদেহ উদ্ধার হওয়ায় পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।
সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, পুকুর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
তবে শিশুটির মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে পুলিশের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
মাত্র ১৩ মাস বয়সী শিশু মাইশার এমন মৃত্যুতে শোকাহত হয়ে পড়েছেন পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দারা।