ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা ও আখাউড়া উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কৃতি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে খোশগল্পে মেতেছেন জাইমা রহমান। পড়াশোনা, ভবিষ্যৎ স্বপ্ন, খেলাধুলা ও ব্যক্তিগত জীবনের নানা অভিজ্ঞতা নিয়ে শিশুদের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করেন তিনি।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) ঢাকার গুলশানের একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রায় তিন ঘণ্টা সময় কাটান জাইমা রহমান। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমান-এর মেয়ে মেহভীন রহমান মুনিয়ার উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সূত্রগুলো জানায়, শুরু থেকেই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আন্তরিক ও প্রাণবন্ত ছিলেন জাইমা রহমান। তিনি একে একে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও স্বপ্নের কথা শোনেন। পাশাপাশি পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এবং বিভিন্ন বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
আড্ডার একপর্যায়ে শিশুদের কাছে তিনি জানতে চান তারা রান্না করতে পারে কি না। কয়েকজন শিক্ষার্থী রান্না করতে পারার কথা জানালে তিনি তাদের এলাকায় গেলে কী খাওয়াবে, সেটিও জানতে চান। জবাবে শিশুরা বিরিয়ানি রান্না করে খাওয়ানোর কথা বললে জাইমা রহমান মজার ছলে বিরিয়ানির সঙ্গে ইলিশ মাছ খাওয়ার ইচ্ছার কথাও জানান।
অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া রামধননগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-এর তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী নাহিয়ান ওসমান রাহিন বলেন, “আমার খুব ভালো লেগেছে। তিনি আমাদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা করার পরামর্শ দিয়েছেন।”
সহকারী শিক্ষক জান্নাতুল ফেরদৌস বাবলী বলেন, শিশুদের সঙ্গে জাইমা রহমান অত্যন্ত আন্তরিক ছিলেন। তিনি প্রতিটি শিশুর কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন এবং নিজের জীবনের অভিজ্ঞতাও তাদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন।
আখাউড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ড. দৌলত হোসেন ভুঁইয়া বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কন্যার সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পেয়ে শিক্ষার্থীরা ভীষণভাবে অনুপ্রাণিত হয়েছে।
এদিকে আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া বলেন, “আমরা ধারণা করিনি তিনি এত দীর্ঘ সময় শিশুদের সঙ্গে কাটাবেন। প্রতিটি শিশুর সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলার বিষয়টি তাদের মধ্যে দারুণ উৎসাহ ও আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি করেছে।”