বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কৌশলগত অংশীদারত্বে কর্মীদের কল্যাণে নতুন উদ্যোগ আকিজ রিসোর্সের তরুণদের চাকরিপ্রার্থী নয় উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার সমাজকল্যাণমন্ত্রী শক্তি বাড়ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের, বুধবার অন্ধ্র উপকূলে আঘাতের শঙ্কা পীরগঞ্জে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবকের বাড়িসহ তিন বাড়িতে হামলা, গ্রেপ্তার ২ অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে চট্টগ্রামে জামায়াত নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি ২৯ অক্টোবর হচ্ছে না এইচএসসির ফল, নতুন তারিখ ৩১ অক্টোবর ৩৫০ বছর আগে বিলুপ্ত ডোডো পাখি পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনছেন বিজ্ঞানীরা! ১ নভেম্বর চার মাসের বকেয়াসহ বাড়তি বেতন, তবে পাচ্ছেন না সবাই ভুয়া বিলের মাধ্যমে রেলওয়ের ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, দুদকের মামলা ১৪ জনের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ঘিরে পীরগঞ্জে তিন হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

জাতীয় নির্বাচনের কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট

  • সবশেষ আপডেট : বুধবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৮২ জন সংবাদটি দেখেছেন

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা পদে নির্বাহী বিভাগের কর্মকর্তাদের নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। একইসঙ্গে ইলেকটোরাল সার্ভিস কমিশন গঠন করে জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের মাধ্যমে এসব পদে নিয়োগের নির্দেশনা চেয়ে রুল জারির আবেদনও করা হয়েছে।

বুধবার (৩ ডিসেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইয়ারুল ইসলাম এ রিট দায়ের করেন। রিটে বলা হয়—রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের যাবতীয় কার্যক্রম স্থগিত রাখতে হবে। যদিও নির্বাচনের তফসিল এখনও ঘোষণা করা হয়নি।

রিটকারী আইনজীবী সাংবাদিকদের বলেন— “নির্বাহী বিভাগের কর্মকর্তাদের দিয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় পরিচালনা ও নির্বাচন পরিচালনা সংবিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। বিচার বিভাগের মতো নির্বাচন কমিশনকেও পূর্ণ স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তার নিজস্ব ক্যাডার সার্ভিস থাকা বাধ্যতামূলক।”

তিনি আরও দাবি করেন, সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের, নির্বাহী বিভাগ কেবল সহায়তাকারী সংস্থা। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিয়ে নির্বাহী বিভাগকে পুরো প্রক্রিয়ার নিয়ন্ত্রণে রাখা হচ্ছে—যা সংবিধানবিরোধী।

আইনজীবী ইয়ারুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন— “সরকার ও নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। তাদের হাতে দায়িত্ব দিলে আরেকটি প্রভাবিত ও একপেশে নির্বাচনের ঝুঁকি তৈরি হবে।”

রিটে নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব ক্যাডার সার্ভিস গঠন, ইলেকটোরাল সার্ভিস কমিশন প্রতিষ্ঠা, এবং জাতীয় নির্বাচন পরিচালনায় কেবল নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের নিয়োগ নিশ্চিত করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

রিটে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও ইসি সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, আইন সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

রিটকারী আইনজীবী জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহে হাইকোর্টের কোনো বেঞ্চে এ রিট শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হতে পারে।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com