শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৫:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পতাকা টাঙ্গাতে গিয়ে গাছে অজ্ঞান যুবক, ফায়ার সার্ভিসের তৎপরতায় উদ্ধার মরক্কোর বিপক্ষে যে একাদশ নিয়ে মাঠে নামতে পারে ব্রাজিল মদ-সিগারেটের ট্যাক্স বাড়ানোয় বিরোধী দল নাখোশ : প্রধানমন্ত্রী বাজেট বড় হলেও বাস্তবায়ন সম্ভব : এফবিসিসিআই ভিনি-রাফিনিয়ার কাঁধে ব্রাজিলের হেক্সা স্বপ্ন ভারতের পুশইন ও সীমান্ত হত্যা বন্ধের দাবিতে পঞ্চগড়ে বিক্ষোভ বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, কুলাউড়া সীমান্তে উত্তেজনা তিস্তা মহাপরিকল্পনায় বরাদ্দ স্পষ্ট না হওয়ায় ধোঁয়াশা: নজরুল ইসলাম হক্কানী রংপুরের ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি নোয়াখালী থেকে গ্রেপ্তার বিশ্বকাপ নিয়ে অস্বস্তিকর অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরানি সমর্থকরা

বহিঃশক্তির কাছে সমীহযোগ্য সশস্ত্র বাহিনী গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

  • সবশেষ আপডেট : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৯ জন সংবাদটি দেখেছেন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, এমন একটি সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তুলতে হবে, যাদের বহিঃশক্তি সমীহ করবে এবং দেশের জনগণ আস্থা রাখবে। পেশাদারিত্বের প্রশ্নে কোনো আপস না করে বাহিনীকে সর্বদা উচ্চ আদর্শিক অবস্থানে থাকার আহ্বান জানান তিনি।

রোববার (১২ এপ্রিল) সকালে ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনীর দরবারে কর্মকর্তা ও সদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রীয় মর্যাদা রক্ষায় জিয়াউর রহমান সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিটি স্তরে যে দেশপ্রেমের চেতনা জাগিয়ে তুলেছিলেন, তা যেন কখনো নিভে না যায়। একটি ঐক্যবদ্ধ সশস্ত্র বাহিনী থাকলে বাংলাদেশকে কেউ পরাজিত করতে পারবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

২০২৪ সালের ঘটনাপ্রবাহ উল্লেখ করে তিনি বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা স্বাধীনতাপ্রিয় জনগণকে আশান্বিত করেছে। ৫ আগস্ট পরবর্তী অস্থিরতা ও প্রশাসনিক অচলাবস্থার মধ্যেও বাহিনী দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় শিল্পাঞ্চল, নগর-বন্দর এবং অর্থনীতির চাকা সচল রাখতেও বাহিনীর অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সশস্ত্র বাহিনী কোনো ব্যক্তি, পরিবার বা দলের সম্পত্তি নয়; এটি একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের শক্তি ও মর্যাদার প্রতীক। সংবিধানের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং জনগণের আস্থাই বাহিনীর মূল ভিত্তি হওয়া উচিত। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করাই সদস্যদের চূড়ান্ত দায়িত্ব বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, অতীতে বিভিন্ন ঘটনায় সেনাবাহিনীকে দুর্বল ও বিতর্কিত করার চেষ্টা হয়েছে। তবে সেসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে বাহিনী এগিয়ে যাচ্ছে।

বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে যুদ্ধের ধরন বদলে গেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন নিরাপত্তা শুধু স্থল সীমান্তে সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সমুদ্র, আকাশ, সাইবার স্পেস, তথ্যযুদ্ধ, ড্রোন প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও জ্বালানি অবকাঠামো। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক সরঞ্জামের পাশাপাশি পেশাগত দক্ষতা, কৌশলগত প্রজ্ঞা ও জ্ঞানভিত্তিক সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© All rights reserved © 2025 rnbnews24
Theme Download From ThemesBazar.Com