সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১০:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৯৩ শিক্ষানবিশ এএসপিকে বদলি রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার সাতক্ষীরা-১ আসনের সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম চা শিল্পের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর ধেয়ে আসছে মৌসুমি নিম্নচাপ, বৃদ্ধি পাচ্ছে বাতাসের গতিবেগ এক যুবককে একসঙ্গে বিয়ে করেছেন তিন বোন চিকিৎসার জন্য কোথায় যাবেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অক্টোবরে ভারতে খেলতে পারে ব্রাজিল, আলোচনায় বাংলাদেশও বিরামপুর সীমান্তে ৯ নারীকে ‘পুশ-ইন’ চেষ্টার অভিযোগ, প্রতিহত করল বিজিবি সেকেন্ড-হ্যান্ড স্মার্টফোন কেনার আগে যে ৭ বিষয় অবশ্যই যাচাই করবেন সান্তোসের ম্যাচ চলাকালে পোকার টুর্নামেন্টে নেইমার, নেটদুনিয়ায় বিতর্ক

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটের সময় বাড়ছে

ভোট দিতে পুরুষ পাবে ৫৪ সেকেন্ড আর নারীর ৬৪.৮

  • সবশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬
  • ২৪ জন সংবাদটি দেখেছেন

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোট গ্রহণের সময় এক ঘণ্টা বাড়িয়ে মোট ৯ ঘণ্টা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে ভোটকক্ষে ভোটার সংখ্যাও বাড়ানো হচ্ছে। কমিশনের দাবি, এতে ব্যয় কমবে এবং ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া আরও কার্যকর হবে। তবে নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এতে ভোটকেন্দ্রে চাপ ও বিশৃঙ্খলার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

আগামী অক্টোবরকে সামনে রেখে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। এ লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের ভোটকেন্দ্র স্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, ১০ আগস্ট ভোটকেন্দ্রের খসড়া তালিকা প্রকাশ, ১৮ আগস্ট পর্যন্ত আপত্তি গ্রহণ, ২৩ আগস্ট আপত্তি নিষ্পত্তি এবং ২৭ আগস্ট সম্ভাব্য চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, ভোটকক্ষে ভোটার সংখ্যা বাড়ানো হলেও ভোটগ্রহণে সমস্যা হবে না। কারণ ভোটের সময় এক ঘণ্টা বাড়ানো হবে। ভোট শুরুর আগে ৩০ মিনিট এবং শেষের দিকে আরও ৩০ মিনিট বাড়িয়ে মোট ৯ ঘণ্টা ভোট গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে।

নতুন হিসাব অনুযায়ী, কোনো কেন্দ্রে শতভাগ ভোটার উপস্থিত হলে একজন পুরুষ ভোটার গড়ে ৫৪ সেকেন্ড এবং একজন নারী ভোটার গড়ে ৬৪ দশমিক ৮ সেকেন্ড সময় পাবেন ভোট দেওয়ার জন্য।

নতুন ভোটকেন্দ্র ও ভোটকক্ষ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা-২০২৫ অনুযায়ী, প্রতি ভোটকক্ষে পুরুষ ভোটার সংখ্যা ৪০০ থেকে বাড়িয়ে ৬০০ এবং নারী ভোটার সংখ্যা ৩০০-৩৫০ থেকে বাড়িয়ে ৫০০ করা হচ্ছে।

তবে প্রতিটি ভোটকক্ষে প্রয়োজনে একাধিক গোপন কক্ষ (মার্কিং প্লেস) রাখার সুযোগ রাখা হয়েছে, যাতে ভোটারদের চাপ কমানো যায়।

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ভোটকক্ষ স্থাপন ও পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য ব্যয় হয়। ভোটার সংখ্যা বাড়ালে ভোটকক্ষ ও কর্মকর্তার সংখ্যা কমবে, ফলে সরকারি ব্যয়ও কমে আসবে।

ইসির সাবেক অতিরিক্ত সচিব জেসমিন টুলী মনে করেন, ভোটকক্ষে ভোটার সংখ্যা বাড়ানো বাস্তবে কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সাধারণত ভোটার উপস্থিতি বেশি থাকে এবং একাধিক ব্যালটে ভোট দিতে হয়। ফলে দীর্ঘ সারি ও সময় সংকট তৈরি হতে পারে। শীতকালে নির্বাচন হলে দিনের আলো কম থাকায় ভোট গণনাও চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে এইচএসসি এবং সদস্য (মেম্বার) পদে এসএসসি পাস বাধ্যতামূলক করা হয়েছে বলে বিভিন্ন পোস্ট ছড়িয়ে পড়ে।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ স্পষ্ট করে বলেন, চেয়ারম্যান বা মেম্বার প্রার্থীদের জন্য নতুন কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়নি এবং কমিশনের এমন কোনো পরিকল্পনাও নেই।

নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশনের শপথ গ্রহণ ও প্রথম সভার তারিখসহ প্রয়োজনীয় তথ্য চেয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগকে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সংবাদসুত্র কালবেলা।

 

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com