২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসির জন্য এসেছে বড় সুখবর। ব্যালন ডি’অর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত এই পুরস্কার জিততে ইউরোপের কোনো ক্লাবে খেলার বাধ্যবাধকতা নেই। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে খেললেও নবম ব্যালন ডি’অর জয়ের দৌড়ে পুরোপুরি রয়েছেন মেসি।
বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে নামার আগে ব্যালন ডি’অর নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে ফুটবল বিশ্বে।
সম্প্রতি এক ব্যাখ্যায় ব্যালন ডি’অর কর্তৃপক্ষ জানায়, অতীতে এই পুরস্কার শুধু ইউরোপীয় লিগে খেলা ইউরোপীয় ফুটবলারদের জন্য সীমাবদ্ধ ছিল। ১৯৯৫ সালে নিয়ম পরিবর্তন করে ইউরোপের যেকোনো দেশের ক্লাবে খেলা সব দেশের ফুটবলারকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পরে ২০০৭ সাল থেকে ইউরোপের ক্লাবে খেলার শর্তও তুলে দেওয়া হয়। এরপর থেকে বিশ্বের যেকোনো লিগে খেলা ফুটবলারই ব্যালন ডি’অরের জন্য বিবেচিত হচ্ছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, ২০০৭ সালের পর ব্যালন ডি’অরজয়ীদের বেশিরভাগই ইউরোপীয় ক্লাবে খেললেও সেটি কোনো বাধ্যতামূলক শর্ত নয়।
কর্তৃপক্ষ আরও উল্লেখ করেছে, ইউরোপের বাইরে খেলে ব্যালন ডি’অর জেতা একমাত্র পুরুষ ফুটবলার লিওনেল মেসি। ২০২৩ সালে অষ্টম ব্যালন ডি’অর জয়ের সময় তিনি ইতোমধ্যেই ইন্টার মায়ামির হয়ে খেলছিলেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “ব্যালন ডি’অরের ক্ষেত্রে কিছুই অসম্ভব নয়। প্রযুক্তিগতভাবে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে খেলা একজন ফুটবলারই এই পুরস্কার জিততে পারেন।”
চলমান বিশ্বকাপেও দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন ৩৯ বছর বয়সী মেসি। টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত সাত ম্যাচে করেছেন আট গোল এবং সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও চারটি গোল। তার নেতৃত্বেই টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা।
এখন ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে উজ্জ্বল পারফরম্যান্স দেখাতে পারলে নবম ব্যালন ডি’অর জয়ের সম্ভাবনা আরও জোরালো হতে পারে বলে মনে করছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা।