মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কৌশলগত অংশীদারত্বে কর্মীদের কল্যাণে নতুন উদ্যোগ আকিজ রিসোর্সের তরুণদের চাকরিপ্রার্থী নয় উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার সমাজকল্যাণমন্ত্রী শক্তি বাড়ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের, বুধবার অন্ধ্র উপকূলে আঘাতের শঙ্কা পীরগঞ্জে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবকের বাড়িসহ তিন বাড়িতে হামলা, গ্রেপ্তার ২ অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে চট্টগ্রামে জামায়াত নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি ২৯ অক্টোবর হচ্ছে না এইচএসসির ফল, নতুন তারিখ ৩১ অক্টোবর ৩৫০ বছর আগে বিলুপ্ত ডোডো পাখি পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনছেন বিজ্ঞানীরা! ১ নভেম্বর চার মাসের বকেয়াসহ বাড়তি বেতন, তবে পাচ্ছেন না সবাই ভুয়া বিলের মাধ্যমে রেলওয়ের ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, দুদকের মামলা ১৪ জনের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ঘিরে পীরগঞ্জে তিন হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

ব্রহ্মপুত্রের ডান তীর রক্ষা বাঁধে ফের ভাঙন, আতঙ্কে চিলমারীর মানুষ

  • সবশেষ আপডেট : সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬
  • ৯৯ জন সংবাদটি দেখেছেন

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের ডান তীর রক্ষা বাঁধে আবারও তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের কাঁচকোল সড়কটারী এলাকায় প্রায় ৪০ মিটার অংশ ধসে পড়ায় নদীতীরবর্তী মানুষের মধ্যে নতুন করে ভাঙন ও বন্যার আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে একই এলাকায় দুটি স্থানে ভাঙন দেখা দিলে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জরুরি ভিত্তিতে কিছু জিওব্যাগ ফেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। তবে বৃহস্পতিবার বিকেলে একই স্থানে আবারও তীব্র ভাঙন শুরু হয়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কটারী মসজিদ সংলগ্ন বাঁধের প্রায় ৪০ মিটার অংশের ব্লক ধসে নদীতে বিলীন হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, ভাঙনের কারণে বাঁধের ভাটির দিকে প্রায় আধা কিলোমিটার এলাকা এখন হুমকির মুখে রয়েছে।

ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙন রোধে প্রায় সাড়ে ৪০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ডান তীর রক্ষা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়। প্রকল্পের আওতায় ব্লক ডাম্পিং, পিচিং এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ করা হলেও ২০১৮ সাল থেকে বিভিন্ন স্থানে বারবার ধসের ঘটনা ঘটছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমান, ফুল বাবু, মতিয়ার রহমান, খতিব উদ্দিন ও মঞ্জু মিয়া বলেন, ডান তীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণের পর কিছুটা স্বস্তি ফিরেছিল। কিন্তু কয়েক বছর ধরে বারবার ধসে আমরা আবারও চরম উদ্বেগে রয়েছি। স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় প্রতি বর্ষা মৌসুমেই আতঙ্কে থাকতে হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা নুর ছলিমা, নুরজাহান বেগম ও স্বপ্না বেগম বলেন, বর্ষা এলেই ভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে বসতভিটা ও ফসলি জমি রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।

চিলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান বলেন, ঘটনাস্থলে তিনি এখনো যাননি। তবে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান জানান, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে ১২ হাজার জিওব্যাগ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং ইতোমধ্যে ডাম্পিংয়ের কাজ শুরু হয়েছে। এছাড়া স্থায়ী মেরামতের জন্য একটি প্রকল্প প্রস্তাবনা অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে স্থায়ীভাবে বাঁধটি সংস্কার করা হবে।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com