ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাবিলা নূর বড়পর্দায় অভিষেকের পর অল্প সময়েই দর্শকদের নজর কাড়েন। ২০২৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘তাণ্ডব’ সিনেমায় প্রথমবারের মতো ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করেন তিনি। এরপর চলতি বছরে মুক্তি পাওয়া ‘রকস্টার’ সিনেমায় দ্বিতীয়বারের মতো জুটি বাঁধেন এই দুই তারকা।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে শাকিব খানের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা ও তাদের পর্দার রসায়ন নিয়ে কথা বলেন সাবিলা নূর। তিনি বলেন, পর্দায় তাদের সফল রসায়নের কৃতিত্ব অনেকটাই শাকিব খানের।
সাবিলার ভাষ্য, “এই কৃতিত্ব পুরোপুরি শাকিব খানের। তিনি নিজেকে যেভাবে পরিবর্তন করেছেন, সেটা সত্যিই অসাধারণ। ‘প্রিন্স’-এর ট্রেইলার ও লুক দেখে আমি মুগ্ধ হয়েছিলাম।”
মালয়েশিয়ায় ‘রকস্টার’ সিনেমার শুটিংয়ের একটি অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, শাকিব খান অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই নিজের লুক এমনভাবে বদলে ফেলেছিলেন যে তাকে অনেকটাই তরুণ মনে হচ্ছিল। তার মতে, এ কৃতিত্ব শাকিব খান ও তার টিমের। পাশাপাশি পুরো ইউনিটের প্রাণবন্ত পরিবেশও পর্দার রসায়নকে আরও স্বাভাবিক করে তুলেছিল।
সিনেমায় শাকিব খানের সঙ্গে একাধিক রোমান্টিক দৃশ্যে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে সাবিলা বলেন, ক্যামেরা চালু হওয়ার পর তারা আর ব্যক্তি পরিচয়ে থাকেন না; বরং চরিত্র হয়ে ওঠেন। তাই অভিনয়ের সময় কোনো ধরনের অস্বস্তি অনুভব করেননি।
তিনি বলেন, “ক্যামেরা রোল হওয়ার পর উনি আর শাকিব খান থাকেন না, আমিও সাবিলা নূর থাকি না। তখন উনি ‘আগুন’ আর আমি ‘মীরা’। চরিত্রের সম্পর্কটাই তখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। তাই কোনো দ্বিধা বা অস্বস্তি কাজ করেনি। বরং তিনি এমন একটি কমফোর্ট জোন তৈরি করেছিলেন, যেখানে খুব স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে রোমান্টিক দৃশ্যগুলো করতে পেরেছি।”
শাকিব খানের পেশাদারিত্বেরও প্রশংসা করেন এই অভিনেত্রী। তিনি জানান, প্রতিটি দৃশ্য ধারণের পর শাকিব খান মনোযোগ দিয়ে শট পর্যালোচনা করেন এবং কোথায় আরও উন্নতি করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা করেন।
সাবিলা বলেন, এই অভ্যাস তাকে অনুপ্রাণিত করেছে এবং সহশিল্পী হিসেবে শাকিব খানের সঙ্গে কাজ করাকে আরও সহজ করে তুলেছে।
উল্লেখ্য, আজমান রুশো পরিচালিত ‘রকস্টার’ সিনেমায় শাকিব খান ও সাবিলা নূরের পাশাপাশি অভিনয় করেছেন দিলারা জামান, তানজিয়া জামান মিথিলা, সুনিধি নায়েক, পান্থ কানাই ও তারিক আনাম খান। সিনেমাটি গত ২৮ মে দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়।