উত্তর আফ্রিকার দেশ লিবিয়ার উপকূলে ২৬ বাংলাদেশিকে বহনকারী একটি অভিবাসী নৌকা ডুবে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময় আল-খোমস উপকূলে অর্ধশতাধিক সুদানি নাগরিককে নিয়ে আরেকটি নৌকাডুবির ঘটনাও ঘটে, তবে সেখানে হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
লিবিয়ান রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে আল-খোমসের তীরে দুটি নৌকা উল্টে যাওয়ার খবর পেয়ে উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে। প্রথম নৌকাটিতে থাকা বাংলাদেশিদের মধ্যে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাকিদের জীবিত উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
দ্বিতীয় নৌকাটিতে ছিলেন মোট ৬৯ জন—এর মধ্যে দুজন মিসরীয় এবং ৬৭ জন সুদানি নাগরিক, যাদের মধ্যে আটজন শিশু। সবাইকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
লিবিয়া দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপ যাওয়ার সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ কিন্তু সক্রিয় রুট হিসেবে পরিচিত। গাদ্দাফি পতনের পর দেশটির অস্থিতিশীল পরিস্থিতিকে ব্যবহার করে মানবপাচারকারী চক্রগুলো নিয়মিত অভিবাসীদের সমুদ্রপথে ঝুঁকিতে ফেলছে।
জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, লিবিয়ায় অবস্থানরত অভিবাসীরা নিয়মিত নির্যাতন, ধর্ষণ ও চাঁদাবাজির শিকার হন। অন্যদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন লিবিয়ার কোস্টগার্ডকে সহায়তা দিলেও তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিলিশিয়ার সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগ রয়েছে।