যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল কনফেকশনার্স অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে দিবসটি পরিচিতি পেয়েছে। চকলেটের বিভিন্ন ধরন ও স্বাদের বৈচিত্র্য উদযাপনই এ দিবসের মূল উদ্দেশ্য।
চকলেট তৈরি হয় গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে জন্মানো ক্যাকাও গাছের বীজ থেকে। মেক্সিকো, মধ্য আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার উত্তরাঞ্চলে ক্যাকাও চাষের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, প্রায় খ্রিষ্টপূর্ব ১১০০ সাল থেকেই ক্যাকাও বীজ চাষের প্রমাণ পাওয়া যায়।
চকলেট তৈরির প্রক্রিয়ায় প্রথমে ক্যাকাও বীজ গাঁজন করা হয়। এরপর বীজ শুকিয়ে পরিষ্কার ও ভাজা হয়। খোসা ছাড়িয়ে পাওয়া ক্যাকাও নিবস গুঁড়া করে চকলেটের মূল উপাদান তৈরি করা হয়। পরে চিনি, দুধ ও অন্যান্য উপাদান মিশিয়ে প্রস্তুত করা হয় বিভিন্ন ধরনের চকলেট।
১. আনসুইটেনড বেকিং চকলেট: মূলত ক্যাকাও সলিডস ও ক্যাকাও বাটার দিয়ে তৈরি। সাধারণত বেকিং ও রান্নায় ব্যবহৃত হয়।
২. সুইট চকলেট: ক্যাকাও সলিডস, ক্যাকাও বাটার বা অন্য চর্বি এবং চিনি দিয়ে তৈরি করা হয়।
৩. মিল্ক চকলেট: চকলেটের মূল উপাদানের সঙ্গে গুঁড়া দুধ বা ঘন দুধ মেশানো হয়। এটি সাধারণত মিষ্টি ও মসৃণ স্বাদের।
৪. হোয়াইট চকলেট: ক্যাকাও বাটার, চিনি ও দুধ দিয়ে তৈরি হলেও এতে ক্যাকাও সলিডস থাকে না।
৫. রুবি চকলেট: বিশেষ ধরনের ক্যাকাও বীজ থেকে তৈরি গোলাপি আভাযুক্ত এই চকলেটে মিষ্টি স্বাদের পাশাপাশি ফলের মতো সুগন্ধ ও হালকা টকভাব পাওয়া যায়।
চকলেটের স্বাদ ও বৈচিত্র্য উদযাপনের পাশাপাশি দিবসটি প্রিয়জনদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করারও একটি উপলক্ষ হয়ে উঠেছে।