২১ নভেম্বর সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে নরসিংদী থেকে প্রায় ১৪ কিমি দূরে রিখটার স্কেলে ৫.৫ থেকে ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এতে নরসিংদীতেই বাবা-ছেলেসহ পাঁচজন আর সারাদেশে অন্তত ১০ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ছাড়িয়ে কম্পনের প্রভাব পৌঁছেছে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শহরে মানুষ দৌড়ে বেরিয়ে এসেছে ঘর থেকে আর দেখা দেয় আতঙ্ক। সরকারি সূত্রে জানা গেছে, এই ভুমিকম্পে সারাদেশে প্রায় ছয়শরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।
ভবন ফাটা, দেয়াল ভেঙে পড়ার খবর মিলেছে, এবং শিল্প কারখানা থেকে কর্মীরা বের হতে গিয়ে আহত হয়েছেন—বিশেষ করে গাজীপুরের ফ্যাক্টরিতে ভিড় ও Stampede-র ঘটনা ঘটেছে।
সরকারি ভাবে দ্রুতই জরুরি উদ্ধার ও সহযোগিতার নির্দেশ দেওয়া হয়। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য সহায়তা ঘোষণা করা হয়েছে, ও জনসচেতনতায় জনসভা ও কন্ট্রোল রুম চালু রয়েছে।
ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল নরসিংদীর বিভিন্ন হাসপাতালে সাজানো হয় জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থা। শুধু সদর হাসপাতালে ৫৩ জন চিকিৎসা নিয়েছেন… জেলা হাসপাতালে আরও ১০ জন। পলাশ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও অন্যান্য হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ৫০ জনেরও বেশি মানুষ।
এই ভূমিকম্প শুধু নরসিংদীর ঘটনা নয়—এটি পুরো দেশের জন্য নবচেতনার ঘণ্টা। ভবিষ্যতে বড় ধ্বংসের মুখে পড়ার পথে প্রস্তুতি নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা এখন আগের চেয়ে বেশি।