মোবাইল ফোন এখন মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য প্রযুক্তি। তবে দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহারে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়তে পারে—এমন প্রশ্ন বহুদিন ধরেই জনমনে ঘোরাফেরা করছে। সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে সে ধারণা ভুল প্রমাণ করেছে ফ্রান্সের জাতীয় স্বাস্থ্য সুরক্ষা সংস্থা ANSES।
প্রতিষ্ঠানটি প্রায় এক হাজারের বেশি বৈজ্ঞানিক গবেষণা পর্যালোচনা করে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ২৫০টি গবেষণার তথ্য বিশ্লেষণ করেছে। তাদের ফলাফলে মোবাইল ফোন ব্যবহারের সঙ্গে ক্যানসার হওয়ার কোনো সরাসরি প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফ্রান্সের গণমাধ্যম ও আনাদোলু এজেন্সিও এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ANSES জানায়, মোবাইল ফোন, ওয়াই-ফাই বা অ্যান্টেনা থেকে নির্গত রেডিওফ্রিকোয়েন্সি তরঙ্গ মানবদেহে স্থায়ী ক্ষতি করে—এমন তথ্য নেই। কিছু পরীক্ষায় দেখা গেছে, এই তরঙ্গের সংস্পর্শে কোষে সাময়িক পরিবর্তন হতে পারে, তবে সংস্পর্শ কমলে কোষ দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।
সংস্থাটি বলছে—এখন পর্যন্ত উপলব্ধ বৈজ্ঞানিক প্রমাণ অনুযায়ী,
মোবাইল ব্যবহারে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে—এমন দাবির ভিত্তি নেই।
তবে শিশুদের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দিয়েছে বিশেষজ্ঞরা। কারণ বয়স কম থাকায় তারা বেশি সময় ফোন ব্যবহার করে এবং বিকাশমান দেহ তুলনামূলক সংবেদনশীল হতে পারে।
ইয়ারফোন, স্পিকার বা হ্যান্ডস-ফ্রি ডিভাইস ব্যবহারে সরাসরি তরঙ্গের প্রভাব আরও কমে যায়—যা স্বাস্থ্যগতভাবে ইতিবাচক।
মোবাইল ব্যবহারে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ার কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই
ইয়ারফোন ব্যবহার ঝুঁকি আরও কমায়