মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
৯৩ শিক্ষানবিশ এএসপিকে বদলি রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার সাতক্ষীরা-১ আসনের সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম চা শিল্পের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর ধেয়ে আসছে মৌসুমি নিম্নচাপ, বৃদ্ধি পাচ্ছে বাতাসের গতিবেগ এক যুবককে একসঙ্গে বিয়ে করেছেন তিন বোন চিকিৎসার জন্য কোথায় যাবেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অক্টোবরে ভারতে খেলতে পারে ব্রাজিল, আলোচনায় বাংলাদেশও বিরামপুর সীমান্তে ৯ নারীকে ‘পুশ-ইন’ চেষ্টার অভিযোগ, প্রতিহত করল বিজিবি সেকেন্ড-হ্যান্ড স্মার্টফোন কেনার আগে যে ৭ বিষয় অবশ্যই যাচাই করবেন সান্তোসের ম্যাচ চলাকালে পোকার টুর্নামেন্টে নেইমার, নেটদুনিয়ায় বিতর্ক

মাধ্যমিক শিক্ষকদের হুঁশিয়ারি: পরীক্ষায় বাধা দিলে শাস্তি, জানালেন শিক্ষা উপদেষ্টা

  • সবশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৫৮ জন সংবাদটি দেখেছেন

সরকারি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে বার্ষিক পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার। তিনি বলেন, “সরকারি কর্মচারী হিসেবে আপনারা যে আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন, তার জন্য শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।” সোমবার (১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বাসসকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে শিক্ষা উপদেষ্টা এ হুঁশিয়ারি দেন।

‘শিক্ষার্থীদের পরীক্ষাকে হাতিয়ার করা অনৈতিক’

শিক্ষা উপদেষ্টা অভিযোগ করেন, আন্দোলনের নামে শিক্ষকরা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পরীক্ষাকে চাপ তৈরির হাতিয়ার বানাচ্ছেন, যা গুরুতর অনৈতিক। তিনি বলেন, “একটি অংশ পরীক্ষা নিচ্ছেন না। পরীক্ষার সময় এ ধরনের দাবি ওঠানো অত্যন্ত অনভিপ্রেত। এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা চাপে পড়ছেন।” তিনি আরও বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক স্বার্থে পরীক্ষার বিষয়ে কোনো রকম আপস করা হবে না। আগামীকাল থেকেই পরীক্ষা গ্রহণে শিক্ষকদের ফিরতে হবে—অন্যথায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নবম গ্রেডের দাবিকে ‘অন্যায়’ বললেন উপদেষ্টা

মাধ্যমিক শিক্ষকদের নবম গ্রেডে উন্নীত হওয়ার দাবি প্রসঙ্গে ড. আবরার বলেন, এই দাবি অন্যায় ও অযৌক্তিক। কারণ—

  • তারা চাকরিতে যোগ দেওয়ার সময়ই দশম গ্রেডের শর্ত জানতেন,
  • নবম গ্রেড মূলত বিসিএস ক্যাডারের পদ,
  • এটি আন্তঃমন্ত্রণালয়িক সিদ্ধান্ত, ব্যক্তিগত দাবিতে বদলানো সম্ভব নয়।

জেলা প্রশাসনের রিপোর্ট কী বলছে

উপদেষ্টা জানান, জেলা প্রশাসনগুলো জানিয়েছে—
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা পরীক্ষা দিতে আগ্রহী, কিন্তু একটি অংশ শিক্ষক পরীক্ষা নিচ্ছেন না, যা পরিস্থিতিকে জটিল করছে। ড. আবরার বলেন, “আগামীকাল থেকে পরীক্ষা নিতে হবে। অন্যথায় সরকারি কর্মচারী বিধি অনুযায়ী শাস্তি নিশ্চিত।”

 

 

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com