বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কৌশলগত অংশীদারত্বে কর্মীদের কল্যাণে নতুন উদ্যোগ আকিজ রিসোর্সের তরুণদের চাকরিপ্রার্থী নয় উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার সমাজকল্যাণমন্ত্রী শক্তি বাড়ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের, বুধবার অন্ধ্র উপকূলে আঘাতের শঙ্কা পীরগঞ্জে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবকের বাড়িসহ তিন বাড়িতে হামলা, গ্রেপ্তার ২ অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে চট্টগ্রামে জামায়াত নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি ২৯ অক্টোবর হচ্ছে না এইচএসসির ফল, নতুন তারিখ ৩১ অক্টোবর ৩৫০ বছর আগে বিলুপ্ত ডোডো পাখি পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনছেন বিজ্ঞানীরা! ১ নভেম্বর চার মাসের বকেয়াসহ বাড়তি বেতন, তবে পাচ্ছেন না সবাই ভুয়া বিলের মাধ্যমে রেলওয়ের ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, দুদকের মামলা ১৪ জনের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ঘিরে পীরগঞ্জে তিন হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে আন্দোলনকারী প্রাথমিক শিক্ষকরা

  • সবশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৯০ জন সংবাদটি দেখেছেন

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তালাবদ্ধ কর্মসূচি ও বার্ষিক পরীক্ষা বন্ধ রেখে আন্দোলনে থাকা সহকারী শিক্ষকরা চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে পড়েছেন। কাজে ফিরে না আসলে চাকরি আইন, আচরণ বিধিমালা ও ফৌজদারি আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বুধবার (৩ ডিসেম্বর) মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশ দেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেন জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ শিবলী সাদিক।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সহকারী শিক্ষকরা অবিলম্বে বিদ্যালয়ে যোগ দিয়ে তৃতীয় প্রান্তিকের পরীক্ষা ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন। অন্যথায় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্ত্রণালয় জানায়, অনেক জায়গায় শিক্ষকরা পরীক্ষা নিতে বাধা সৃষ্টি করেছেন এবং কোথাও কোথাও পরীক্ষায় অংশ নিতে ইচ্ছুক শিক্ষকদের ওপর হামলা ও লাঞ্ছনার ঘটনাও ঘটেছে—যা সরকারি চাকরি আইন ও আচরণ বিধিমালার পরিপন্থী।

সরকারি চাকরি আইন–২০১৮ অনুযায়ী প্রমাণিত শৃঙ্খলাভঙ্গের জন্য লঘু দণ্ড হিসেবে- তিরস্কার, পদোন্নতি/বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি স্থগিত, বেতন স্কেলে অবনমিতকরণ, সরকারি অর্থের ক্ষতি হলে ক্ষতিপূরণ আদায় হতে পারে। আর যদি গুরুদণ্ড হলে – বাধ্যতামূলক অবসর, চাকরি থেকে অপসারণ বা চাকরি থেকে বরখাস্ত করাও হতে পারে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সহকারী শিক্ষকদের তিন দফা দাবি—১১তম গ্রেডে বেতন, ১০ ও ১৬ বছর পর উচ্চতর গ্রেডের জটিলতা নিরসন, সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে ১০০% বিভাগীয় পদোন্নতি—এই তিন দাবির বিষয়ে ইতোমধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয় ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বেতন–স্কেল উন্নীতকরণের প্রস্তাবও জাতীয় বেতন কমিশনে পাঠানো হয়েছে।

গত ১০ নভেম্বর অর্থ বিভাগ পে–কমিশনের প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিষয়টি বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছে। বাংলাদেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ৬৫,৫৬৯টি, যেখানে পড়ুয়া সংখ্যা এক কোটিরও বেশি। সহকারী শিক্ষক কর্মরত আছেন ৩ লাখ ৫২ হাজার ২০৮ জন।

গত ২৭ নভেম্বর থেকে ‘প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ’ তিন দফা দাবিতে কর্মবিরতি শুরু করে। সোমবার তারা বার্ষিক পরীক্ষা বর্জন কর্মসূচি শুরু করে। পাশাপাশি জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছে।

একই দাবিতে ‘সহকারী শিক্ষক সংগঠন ঐক্য পরিষদ’–ও ২৩–২৭ নভেম্বর কর্মবিরতি পালন করেছে। তারা জানিয়েছে, দাবি পূরণ না হলে ৪ ডিসেম্বর থেকে বিদ্যালয়ে তালাবদ্ধ কর্মসূচি শুরু করা হবে

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com