গলার ক্যানসার প্রাথমিক সময়ে সাধারণ সমস্যার সঙ্গে মিল থাকতে পারে, যেমন সর্দি, গলার ব্যথা বা হালকা অসুবিধা। অনেক সময় মানুষ এই লক্ষণগুলো উপেক্ষা করে। তবে সময়মতো শনাক্ত করলে চিকিৎসা অনেক সহজ হয় এবং সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
যদি কয়েক সপ্তাহ ধরে গলা ব্যথা থাকে এবং স্বাভাবিক চিকিৎসায় আর সেরে না ওঠে, এটি সতর্কতার সংকেত হতে পারে। ব্যথা সাধারণ সর্দি বা ইনফেকশনের তুলনায় গভীর এবং গিলে কষ্ট হতে পারে। সর্দি বা অ্যালার্জির মতো লক্ষণ না থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
হঠাৎ কণ্ঠ হোয়াজি বা দুর্বল হয়ে গেলে সতর্ক থাকুন। সাধারণ সর্দি বা জ্বরের কারণে হোয়াজনেস কয়েকদিনের মধ্যে কমে যায়, কিন্তু ক্যানসারের কারণে এটি স্থায়ী হতে পারে এবং সময়ের সঙ্গে আরও খারাপ হয়।
প্রাথমিক সময়ে খাবার গিলে সমস্যা নাও হতে পারে, কিন্তু সময়ের সঙ্গে ব্যথা বা জ্বালা বেড়ে যেতে পারে। এটি গলার ক্যানসারের একটি সাধারণ লক্ষণ।
গলার ক্যানসারের প্রাথমিক সংকেত হিসেবে ঘাড়ে শক্ত লাম্প দেখা দিতে পারে। সাধারণ সংক্রমণের মতো মনে হলেও, ক্যানসারের লাম্প সাধারণত শক্ত এবং সহজে সরে যায় না।
গিলতে সমস্যা এবং কম খাওয়ার কারণে হঠাৎ ওজন কমতে পারে। এছাড়া শরীর ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করতে বেশি শক্তি ব্যবহার করে, যার ফলে সারাক্ষণ ক্লান্তি অনুভূত হয়।
এই ধরনের কোনো লক্ষণ উপেক্ষা করা উচিত নয়। প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা নিলে সুস্থ হওয়া অনেক সহজ। পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং পর্যাপ্ত পুষ্টি ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।