মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ০২:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আদিতমারীতে বাকবিতণ্ডা থেকে সংঘর্ষ, ছুরিকাঘাতে কিশোর নিহত ড. ইউনূসসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করার আবেদন খারিজ পীরগঞ্জে মাদক ও জুয়ামুক্ত সমাজ গঠনে সেমিনার অনুষ্ঠিত রোগী হয়রানির অভিযোগে দালালকে দিয়ে ড্রেন পরিষ্কার করালো ছাত্রদল ছয় দফা দাবিতে রংপুরে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি ও মানববন্ধন মিঠাপুকুরে বিষাক্ত অ্যালকোহল পানে ৫ মৃত্যুর ঘটনায় দুই আসামি গ্রেপ্তার নির্বাচিত হওয়ার একদিন পরই বিসিবির পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ মীর শাকরুল আলম সীমান্তের কর্ণফুলী নদী থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার বাজেটের অর্থ অপচয়ের অধিকার কাউকে দেয়নি জনগণ: চরমোনাই পীর সৈয়দপুরে লাশ নিয়ে এলাকাবাসীর থানা ঘেরাও

রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট ও নীলফামারীতে রেড অ্যালার্ট জারি

উত্তরের ৫ জেলায় পানিবন্দী প্রায় লাখো মানুষ

  • সবশেষ আপডেট : সোমবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৫৪ জন সংবাদটি দেখেছেন
তিস্তা অববাহিকায় রেড অ্যালার্ট, পানিবন্দী মানুষ
তিস্তা অববাহিকায় রেড অ্যালার্ট, পানিবন্দী মানুষ

উত্তরাঞ্চলে ভারি বর্ষণ ও উজান ঢলে তিস্তা নদীর পানি বেড়ে গেলে লাখো মানুষ পানিবন্দী হয়েছেন। রেকর্ড অনুযায়ী, রাতভর পানি বিপদসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। যদিও সকালের দিকে কিছুটা পানি নামলেও, পরিস্থিতি মারাত্মক এবং ভোগান্তিপূর্ণ।

তিস্তা অববাহিকায় রেড অ্যালার্ট, পানিবন্দী মানুষ

উজানের পাহাড়ি ঢল ও আগের কয়েক দিনের ভারি বৃষ্টির প্রভাবে তিস্তা তীরবর্তী এলাকা ব্যাপকভাবে প্লাবিত হয়েছে। রংপুরের গঙ্গাচড়া, কাউনিয়া ও পীরগাছা উপজেলা, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাটের নিম্নাঞ্চলগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। প্রতি মুহূর্তে পানি বৃদ্ধি পেলে বাঁধ ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে আদিতমারীর সোলেডি স্পার বাঁধ-২ অংশে সুরঙ্গ সৃষ্টি হওয়া দেখা দিয়েছে।

স্থল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হচ্ছে, রাস্তা–সেতু ও ঘরবাড়ি পানিতে নিমজ্জিত হচ্ছে। অনেক পরিবার রাতযাপন করছে বাঁধ, রাস্তা ও উঁচু জনপদের আশ্রয়ে। খাদ্য ও ত্রাণের মাত্রা চাহিদা মেটাতে পারছে না — কিছু এলাকায় অনাহারে দিন কাটছে। পানিবন্দী এক পরিবার বলছে, ঘরে পানি ঢুকে গেছে, শিশু ও বৃদ্ধদের নিয়ে কী করব বুঝে উঠছেন না।

রংপুর বিভাগীয় কমিশনার শহীদুল ইসলাম জানিয়েছেন, “ত্রাণের কোনো ঘাটতি নেই। সবাইকে ত্রাণ দেওয়ার চেষ্টা চলছে।”

পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী আহসান হাবীব সতর্ক করেছেন, “ভারতে গজলডোবা ব্যারেজের গেট খোলার কারণে পানি আরও বাড়তে পারে।”

বন্যাপূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র বলেছে, তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি আগামী দুই দিন দ্রুত বাড়তে পারে। এ সময় ভারত সীমান্তের ঝড় ও বর্ষণ উত্তরের প্রবাহকে আরও ত্বরান্বিত করবে।

বানভাসি মানুষদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া, খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তা বাড়িয়ে দেওয়া, এবং বালু ও কাদা বস্তা বাধ তৈরি করা জরুরি। সরকার ও উন্নয়ন সংস্থাগুলোকে একযোগে কাজ করতে হবে যেন দ্রুত দুর্দশা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© All rights reserved © 2025 rnbnews24
Theme Download From ThemesBazar.Com