নিত্যপণ্যের বাজারে দামে বড় কোনো উর্ধ্বগতি দেখা যায়নি রংপুরে। ক্রেতার উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকায় বাজার স্থিতিশীল রয়েছে বলেও জানায় বিক্রেতারা। ক্রেতারাও বলছেন স্বস্থি আছে সবকিছুতেই।
সোমবার (২৯ডিসেম্বর) রংপুরের সিটিবাজার ঘুরে দেখাগেছে, সবজির বাজারে বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৫০ টাকা কেজিতে। শিম ৩০ টাকা, করলা ৮০ আর টমেটো মিলছে ৬০ টাকা কেজিতে। ফুলকপি ও বাঁধাকপি ২০ টাকা পিস, লাউ ৩০ থেকে ৪০ টাকায় আর পেপে ও মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকা কেজি দরে।
আলুর বাজারে নতুন আলু ৩০ টাকা এবং পুরাতন আলু ১৫ টাকা কেজি। অফ সিজন হওয়ায় বরবটির দাম বেশি কেজিপ্রতি ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পটল বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজিতে। কাচকলা ৩০ টাকা, গাজর ৪০ টাকা কেজি।
এদিকে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি, যা আগের তুলনায় কিছুটা কম। রসুনের দাম প্রকারভেদে ১০০ থেকে ২০০ টাকা। কাঁচা মরিচ ৬০ টাকা, আদা ১৬০ টাকা কেজি। তবে ক্যাপসিকামের দাম বেশ চড়া, কেজিপ্রতি ৭০০ টাকা।
মাছের দাম আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। ব্রয়লার মুরগি ১৫০ টাকা, সোনালী মুরগি ২৫০ টাকা, দেশি মুরগি ৫০০ টাকা কেজি। গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ টাকা কেজিতে।
এদিকে সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৯৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগের বাড়তি দামেই এখনো বহাল রয়েছে। সব মিলিয়ে, আজ বাজারে পণ্যের সরবরাহ থাকলেও ক্রেতা কম থাকায় দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।