আরএনবি ডেস্কঃ সারাদেশে কনকনে ঠান্ডা ও ঘন কুয়াশায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের প্রায় সব অঞ্চলে আকাশ মেঘের চাদরে ঢাকা থাকায় সূর্যের তাপ তেমন অনুভূত হচ্ছে না। এর সঙ্গে উত্তরের ঠান্ডা বাতাস যোগ হয়ে শীতের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। অনেক এলাকায় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কুয়াশা কাটছে না, ফলে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ও যান চলাচলে ব্যাঘাত ঘটছে।বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর রোববার (৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী পাঁচ দিনের (১২০ ঘণ্টা) জন্য যে পূর্বাভাস দিয়েছে, তাতে বলা হয়েছে—দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে একটি মৌসুমি লঘুচাপ অবস্থান করছে, যা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আশপাশের এলাকায় বিস্তৃত রয়েছে। এই লঘুচাপ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের দিকে ধীরে ধীরে বিস্তার লাভ করছে।পূর্বাভাসে জানানো হয়, আগামী পাঁচ দিন আবহাওয়া মূলত শুষ্ক থাকবে। তবে রাতের শেষ ভাগ থেকে সকাল পর্যন্ত নদী তীরবর্তী ও অববাহিকা অঞ্চলে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। এতে নৌ ও সড়ক যোগাযোগে সাময়িক বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, প্রথম দিনে (৪ জানুয়ারি) পাবনা, সিরাজগঞ্জ, কুমিল্লা, যশোর, কুষ্টিয়া, নোয়াখালী ও সিলেট অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে, তবে কুয়াশার কারণে শীতের অনুভূতি কমবে না।৫ ও ৬ জানুয়ারি আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও সামগ্রিকভাবে আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে এবং নদী অববাহিকায় কুয়াশা অব্যাহত থাকতে পারে। ৭ জানুয়ারি রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়ার ইঙ্গিত থাকলেও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে। ৮ জানুয়ারি রাতের তাপমাত্রা স্থিতিশীল থাকলেও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।বাতাসের দিক থাকবে উত্তর থেকে উত্তর-পশ্চিম এবং এর গতি ঘণ্টায় ৬ থেকে ১২ কিলোমিটার হতে পারে। ঢাকায় সকাল ৬টায় আপেক্ষিক আর্দ্রতা রেকর্ড করা হয়েছে ৯৭ শতাংশ। আজ সূর্যোদয় হয়েছে সকাল ৬টা ৪৪ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৫টা ২৫ মিনিটে। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে দেশের শীতের তীব্রতা ধীরে ধীরে কিছুটা কমতে পারে।