সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৯৩ শিক্ষানবিশ এএসপিকে বদলি রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার সাতক্ষীরা-১ আসনের সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম চা শিল্পের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর ধেয়ে আসছে মৌসুমি নিম্নচাপ, বৃদ্ধি পাচ্ছে বাতাসের গতিবেগ এক যুবককে একসঙ্গে বিয়ে করেছেন তিন বোন চিকিৎসার জন্য কোথায় যাবেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অক্টোবরে ভারতে খেলতে পারে ব্রাজিল, আলোচনায় বাংলাদেশও বিরামপুর সীমান্তে ৯ নারীকে ‘পুশ-ইন’ চেষ্টার অভিযোগ, প্রতিহত করল বিজিবি সেকেন্ড-হ্যান্ড স্মার্টফোন কেনার আগে যে ৭ বিষয় অবশ্যই যাচাই করবেন সান্তোসের ম্যাচ চলাকালে পোকার টুর্নামেন্টে নেইমার, নেটদুনিয়ায় বিতর্ক

আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ নারীর রমেকে মৃত্যু

  • সবশেষ আপডেট : শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১০৬ জন সংবাদটি দেখেছেন
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-সংগৃহীত ফাইল ছবি।
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-সংগৃহীত ফাইল ছবি।

শীত নিবারণের জন্য আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ভোরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগে তিনি মারা যান। নিহত নারীর নাম হাজেরা বেগম (৩৬)। তিনি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার বিশুগাড়ি ইউনিয়নের আব্দুর রহিমের স্ত্রী। হাজেরা বেগম জন্মগতভাবে বাক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ছিলেন।

হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. কানিজ ফাতেমা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গত ৪ জানুয়ারি গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় হাজেরা বেগমকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁর শরীরের প্রায় ৪৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। পাঁচ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার ভোরে তিনি মারা যান।

নিহতের স্বজন মেহের নেগার জানান, হাজেরা বেগম তাঁর মেয়ের ননদ। প্রচণ্ড শীতের কারণে ৪ জানুয়ারি সকালে বাড়ির উঠানে বড়ই গাছের নিচে খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুন পোহাচ্ছিলেন তিনি। এ সময় অসাবধানতায় তাঁর পরনের কাপড়ে আগুন ধরে যায়। এতে কোমর ও বুকের গুরুত্বপূর্ণ অংশ মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়।

ডা. কানিজ ফাতেমা আরও বলেন, শীত মৌসুমে আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ রোগীর সংখ্যা দুই থেকে তিন গুণ পর্যন্ত বেড়ে যায়, ফলে বার্ন ইউনিটে বাড়তি চাপ সৃষ্টি হয়। তবে সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। তিনি শীত নিবারণে খোলা আগুন ব্যবহারে সতর্কতা, গরম কাপড় পরিধান এবং পারিবারিক সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, গত শীত মৌসুমে আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ হওয়া ৫০৬ জন রোগীকে রমেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছিল।

এদিকে টানা শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে উত্তরের জনপদ। কুয়াশা কেটে দিনের বেলায় সূর্যের দেখা মিললেও শীতের তীব্রতা কমছে না।

রংপুর আবহাওয়া অধিদপ্তর-এর সহকারী আবহাওয়াবিদ মোস্তাফিজুর রহমান জানান, শুক্রবার সকাল ৯টায় রংপুর জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। একই সময়ে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন ৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা নথিভুক্ত হয়েছে।

তিনি বলেন, হিমেল বাতাস ও ঘন কুয়াশার কারণে শীতের প্রকোপ আরও বেড়েছে। চলতি মাসে কয়েক দফা মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com