এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে হংকংয়ের কাই তাক স্পোর্টস পার্কে মঙ্গলবার মাঠে নামছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। তবে সুন্দর এই আধুনিক ভেন্যুই হতে পারে বাংলাদেশের জন্য এক নরকসম চ্যালেঞ্জ।
বাছাইপর্বের এই ম্যাচকে ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। ম্যাচের টিকিট বিক্রি শুরু হওয়ার দেড় ঘণ্টার মধ্যেই ৫০ হাজার টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে। হংকং ফুটবল সমর্থকদের পাশাপাশি কিছু বাংলাদেশি প্রবাসী দর্শকও গ্যালারিতে থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
তবে কাই তাক স্টেডিয়ামের বিশেষত্ব—পুরো মাঠটি ছাদে ঢাকা। ফলে দর্শকদের গর্জন ও উল্লাস প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে। এই ধরনের পরিবেশে খেলতে অভ্যস্ত নয় বাংলাদেশ দল।
বাংলাদেশ দলের ডিফেন্ডার তপু বর্মণ অবশ্য আশাবাদী, “জানি, এই ম্যাচের টিকিট দেড়-দুই ঘণ্টার মধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে। এটা আমাদের জন্য ভালো ব্যাপার। ওদের দর্শক যেমন থাকবে, আমাদের বাঙালি ভাইয়েরাও থাকবে।”
এর আগে ৯ অক্টোবর ঘরের মাঠে হংকংয়ের কাছে ৪-৩ গোলে হেরে যায় বাংলাদেশ। বাছাইপর্বে তিন ম্যাচ শেষে জামাল ভূঁইয়ারা পেয়েছে মাত্র এক পয়েন্ট—গ্রুপের তলানিতে অবস্থান করছে তারা। তবুও লড়াইয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ দলের কোচ হাভিয়ের কাবরেরা।
তিনি বলেন, “খুবই রোমাঞ্চকর পরিবেশ। বাংলাদেশে ম্যাচটা তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ছিল। হংকংয়ের এমন একটি সুন্দর ভেন্যুতে অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলতে মুখিয়ে আছি আমরা।”
অন্যদিকে দলের ম্যানেজার আমের খান অভিযোগ করেছেন, “এখানে আসার পর থেকে আমরা যথাযথ আতিথেয়তা পাচ্ছি না। মনে হচ্ছে স্বাগতিকরা মনস্তাত্ত্বিক খেলা খেলছে। আমরা এখনো সে অর্থে পেশাদার হতে পারিনি।”
তবে দলীয় মনোবল এখনো দৃঢ়। মঙ্গলবারের ম্যাচে ইতিবাচক ফলের আশায় পুরো বাংলাদেশ দল প্রস্তুত কাই তাক স্টেডিয়ামে নতুন ইতিহাস লেখার জন্য।
রংপুর-গাইবান্ধায় ১০ স্থানে তীব্র অ্যানথ্রাক্স আতঙ্ক: মাঠে অনুসন্ধান দল