ঠাকুরগাঁও–২ (বালিয়াডাঙ্গী–হরিপুর) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) বিদ্রোহী প্রার্থী মো. জুলফিকার মর্তুজা চৌধুরী তুলা শেষ পর্যন্ত নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। তার মনোনয়ন প্রত্যাহারের মধ্য দিয়ে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে আলোচিত এই আসনের রাজনৈতিক চিত্রে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে তিনি ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহারের জন্য প্রয়োজনীয় আবেদন জমা দেন।
রিটার্নিং অফিসের দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচন কমিশনের বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যেই তার আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে এবং আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।
এ বিষয়ে মো. জুলফিকার মর্তুজা চৌধুরী তুলা বলেন, দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সামগ্রিক নির্বাচনি পরিকল্পনার কথা বিবেচনা করেই তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে তার এই সিদ্ধান্ত নিয়ে বিএনপির জেলা বা কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্রসঙ্গত, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁও–২ আসনে বিএনপির প্রার্থী নির্ধারণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও নানা তৎপরতা চলছিল। বিদ্রোহী প্রার্থীর সরে দাঁড়ানোর ফলে এই আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ডা. আব্দুস সালামের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, এ সিদ্ধান্ত নির্বাচনি মাঠে বিএনপির সাংগঠনিক ঐক্য জোরদার করবে এবং ভোটের সমীকরণে দলটিকে সুবিধাজনক অবস্থানে নিয়ে যাবে।
মনোনয়ন প্রত্যাহারের পর ঠাকুরগাঁও–২ আসনে এখন মোট ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন।