সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৯৩ শিক্ষানবিশ এএসপিকে বদলি রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার সাতক্ষীরা-১ আসনের সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম চা শিল্পের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর ধেয়ে আসছে মৌসুমি নিম্নচাপ, বৃদ্ধি পাচ্ছে বাতাসের গতিবেগ এক যুবককে একসঙ্গে বিয়ে করেছেন তিন বোন চিকিৎসার জন্য কোথায় যাবেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অক্টোবরে ভারতে খেলতে পারে ব্রাজিল, আলোচনায় বাংলাদেশও বিরামপুর সীমান্তে ৯ নারীকে ‘পুশ-ইন’ চেষ্টার অভিযোগ, প্রতিহত করল বিজিবি সেকেন্ড-হ্যান্ড স্মার্টফোন কেনার আগে যে ৭ বিষয় অবশ্যই যাচাই করবেন সান্তোসের ম্যাচ চলাকালে পোকার টুর্নামেন্টে নেইমার, নেটদুনিয়ায় বিতর্ক

ঠিকাদারের বিচার দাবি

বালু দিয়ে বাঁধ সংস্কার! পানির তোড়ে ভেসে গেল কৃষকের স্বপ্ন

  • সবশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৩৩ জন সংবাদটি দেখেছেন

নীলফামারী সদর উপজেলায় তিস্তা সেচ প্রকল্পের প্রধান খালের পাড় ভেঙে ব্যাপক কৃষি বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। হঠাৎ পানির তোড়ে তলিয়ে গেছে বিস্তীর্ণ এলাকার আলু, সরিষা ও বোরো বীজতলাসহ উঠতি ফসল। কৃষকদের অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নিম্নমানের কাজের কারণেই এই দুর্ঘটনা। ক্ষতির মুখে পড়ে এখন দিশেহারা এলাকার মানুষ। 

পাকা ফসল ঘরে তোলার স্বপ্ন ছিল কৃষকের চোখে। কিন্তু সেই স্বপ্ন এখন পানির নিচে। নীলফামারী সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের কামারপাড়া এলাকায় তিস্তা সেচ প্রকল্পের দিনাজপুর প্রধান খালের প্রায় দুইশ মিটার অংশ ধসে পড়েছে। আর এতেই সৃষ্টি হয়েছে ভয়াবহ বিপর্যয়।

খাল থেকে বেরিয়ে আসা পানিতে সিংদই, কামারপাড়াসহ আশপাশের গ্রামগুলোর বিস্তীর্ণ জমি প্লাবিত হয়েছে। কোথাও কোথাও তিন থেকে চার ফুট পানির নিচে তলিয়ে গেছে আলু, সরিষা, ভুট্টা ও গমক্ষেত। নষ্ট হয়ে গেছে বোরো ধানের বীজতলাও। কৃষকদের দাবি, অন্তত এক হাজার বিঘা জমির ফসল এখন পানির নিচে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের অভিযোগ, খাল সংস্কারের সময় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মাটির পরিবর্তে বালু ব্যবহার করেছিল। ফলে পাড় দুর্বল হয়ে পড়ে এবং পানির সামান্য চাপেই ধসে যায়। ঠিকাদারের গাফিলতিতেই এই সর্বনাশ—এমনটাই দাবি তাদের।

ফসলের ক্ষতি এবং ঠিকাদারের নিম্নমানের কাজের অভিযোগ করে ভুক্তভোগী এক কৃষক বলছেন, “আমার ৫ বিঘা আলুক্ষেত সব শ্যাষ। বালু দিয়া বাঁধ দিছে, তাই ভাইঙা গেছে। আরেক কৃষকের দাবি- ঋণ কইরা আবাদ করছিলাম, এখন খাবো কী? ঠিকাদারের বিচার চাই”।

কৃষি বিভাগ বলছে, তারা মাঠপর্যায়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে।

নীলফামারীর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মনজুর রহমান বলছেন, “আমরা মাঠপর্যায়ে সার্ভে করছি। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করে ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে”।

কৃষকদের সাফ কথা— শুধু তালিকা করে লাভ নেই। দায়ী ঠিকাদারের শাস্তি এবং নষ্ট ফসলের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ না পেলে তারা কঠোর আন্দোলনে যাবেন।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com