শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে জামায়াতের হামলায় যুবদল নেতাসহ কয়েকজন নিহত হয়েছেন—এমন দাবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তবে যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম নিজেই ফেসবুক লাইভে এসে এসব তথ্যকে ‘সম্পূর্ণ গুজব’ বলে জানিয়েছেন।
বুধবার সকাল থেকে বিভিন্ন ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রচার করা হয়, ঝিনাইগাতীতে সংঘর্ষে যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। অনেক ভেরিফাইড অ্যাকাউন্ট থেকেও একই দাবি ছড়িয়ে পড়ে।
তবে দুপুরে ফেসবুক লাইভে এসে সাইফুল ইসলাম বলেন,
“আমি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জিনিতি, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক। কে বা কারা গুজব ছড়িয়েছে যে আমি মারা গেছি—এ তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা। আলহামদুলিল্লাহ, আমি জীবিত ও সুস্থ।”
তিনি সবাইকে গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান এবং বলেন, “আমার জন্য দোয়া করবেন। গুজব ছড়ানো থেকে সবাইকে বিরত থাকতে অনুরোধ করছি।”
ফ্যাক্টচেকিং প্ল্যাটফর্ম রিউমার স্ক্যানারও তাদের অফিসিয়াল পেজে নিশ্চিত করে যে সাইফুল ইসলাম জীবিত আছেন এবং তাঁর মৃত্যুর খবরটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
২৮ জানুয়ারি দুপুরে ঝিনাইগাতী মিনি স্টেডিয়াম এলাকায় প্রশাসন আয়োজিত নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ বাজার এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত হয়ে দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে।
এ ঘটনায় শ্রীবরদী জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম নিহত হন, আহত হন উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী। পরে রাত সাড়ে ৭টার দিকে পুলিশ ও সেনাবাহিনী টানা এক ঘণ্টার বেশি চেষ্টা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।