মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ০১:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আদিতমারীতে বাকবিতণ্ডা থেকে সংঘর্ষ, ছুরিকাঘাতে কিশোর নিহত ড. ইউনূসসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করার আবেদন খারিজ পীরগঞ্জে মাদক ও জুয়ামুক্ত সমাজ গঠনে সেমিনার অনুষ্ঠিত রোগী হয়রানির অভিযোগে দালালকে দিয়ে ড্রেন পরিষ্কার করালো ছাত্রদল ছয় দফা দাবিতে রংপুরে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি ও মানববন্ধন মিঠাপুকুরে বিষাক্ত অ্যালকোহল পানে ৫ মৃত্যুর ঘটনায় দুই আসামি গ্রেপ্তার নির্বাচিত হওয়ার একদিন পরই বিসিবির পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ মীর শাকরুল আলম সীমান্তের কর্ণফুলী নদী থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার বাজেটের অর্থ অপচয়ের অধিকার কাউকে দেয়নি জনগণ: চরমোনাই পীর সৈয়দপুরে লাশ নিয়ে এলাকাবাসীর থানা ঘেরাও

হোটেলের ফ্রি ওয়াই-ফাই হতে পারে সর্বনাশের কারণ!

  • সবশেষ আপডেট : রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৬০ জন সংবাদটি দেখেছেন

ভ্রমণে গিয়ে বা কাজের প্রয়োজনে হোটেলে উঠে আমরা প্রথমেই খুঁজি ফ্রি ওয়াই-ফাই। পাসওয়ার্ড দেওয়া নেটওয়ার্ক কানেক্ট করে নিশ্চিন্তে ব্রাউজিং শুরু করলেও, এই ‘ফ্রি’ সুবিধাই হতে পারে আপনার বড় বিপদের কারণ।

সাইবার বিশেষজ্ঞদের মতে, হোটেলের অসুরক্ষিত নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে হ্যাকাররা ওত পেতে থাকে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের দখল নিতে। সামান্য অসতর্কতায় আপনার স্মার্টফোন বা ল্যাপটপের নিয়ন্ত্রণ চলে যেতে পারে সাইবার অপরাধীদের হাতে।

কেন অনিরাপদ হোটেলের ওয়াই-ফাই? 

একটি হোটেলের নেটওয়ার্কে একই সাথে শত শত অতিথি যুক্ত থাকেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই নেটওয়ার্কগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা অত্যন্ত দুর্বল বা পুরনো প্রযুক্তির হয়। হ্যাকাররা সহজেই এই নেটওয়ার্কের রাউটারে ঢুকে ট্রাফিক মনিটর করতে পারে। আপনি কোন ওয়েবসাইট দেখছেন বা কোন অ্যাপে লগইন করছেন, তার সব তথ্যই তারা রিয়েল-টাইমে দেখতে পায়।

পাসওয়ার্ড থাকলেই কি নিরাপদ? অনেকেই মনে করেন পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করা মানেই নেটওয়ার্কটি সুরক্ষিত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন এটি একটি ভুল ধারণা। একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে অসংখ্য মানুষ যুক্ত থাকায় হ্যাকারদের পক্ষে আপনার ডিভাইসে ভাইরাস (Malware) ঢুকিয়ে দেওয়া বা ডেটা প্যাকেট চুরি করা অনেক সহজ হয়ে যায়। এর মাধ্যমে আপনার ব্যক্তিগত ছবি, ইমেইল এবং ব্যাংকিং পাসওয়ার্ডও বেহাত হতে পারে।

সুরক্ষিত থাকার ৪টি জরুরি উপায়:

১. ব্যাংকিং লেনদেন থেকে বিরত থাকুন: হোটেলের ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে কখনোই টাকা ট্রান্সফার বা পেমেন্ট অ্যাপ (বিকাশ, নগদ বা ব্যাংক অ্যাপ) ব্যবহার করবেন না।

২. ভিপিএন (VPN) ব্যবহার: ইন্টারনেটে কাজ করার সময় একটি ভালো মানের ভিপিএন ব্যবহার করুন। এটি আপনার ডেটাকে এনক্রিপ্ট করে দেয়, ফলে হ্যাকাররা আপনার তথ্য পড়তে পারে না।

৩. টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন: আপনার ইমেইল, সোশ্যাল মিডিয়া এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ‘টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন’ (2FA) চালু রাখুন। এতে পাসওয়ার্ড চুরি হলেও কেউ সহজে লগইন করতে পারবে না।

৪. মোবাইল হটস্পট: সম্ভব হলে পাবলিক ওয়াই-ফাই এড়িয়ে নিজের ফোনের মোবাইল ডেটা বা ব্যক্তিগত হটস্পট ব্যবহার করুন। এটিই সবচেয়ে নিরাপদ বিকল্প।

মনে রাখবেন, ইন্টারনেটের দুনিয়ায় বিনামূল্যে পাওয়া সব সুযোগ নিরাপদ নয়। আপনার সামান্য সচেতনতাই পারে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি ও হয়রানি থেকে রক্ষা করতে।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© All rights reserved © 2025 rnbnews24
Theme Download From ThemesBazar.Com