বুধবার উভয় সূচকই ৪ শতাংশেরও বেশি বেড়েছিল, যা ৩০ জানুয়ারির পর থেকে সর্বোচ্চ। মার্কিন ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য সংঘাত ও সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা এ বৃদ্ধির প্রধান কারণ। বিশ্লেষকরা বলছেন, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হলে বিশ্বের তেলের প্রায় ২০ শতাংশ সরবরাহের ওপর প্রভাব পড়বে।
নিসান সিকিউরিটিজের প্রধান কৌশলবিদ হিরোয়ুকি কিকুকাওয়া বলেন, উত্তেজনা থাকা সত্ত্বেও পূর্ণাঙ্গ সশস্ত্র সংঘাতের সম্ভাবনা কম। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও অপরিশোধিত তেলের দাম তীব্র বৃদ্ধি চান না। সামরিক পদক্ষেপ হলে তা সম্ভবত সীমিত এবং স্বল্পমেয়াদি হবে। হোয়াইট হাউস জানায়, জেনেভায় ইরানের সঙ্গে আলোচনায় কিছু অগ্রগতি হয়েছে, তবে কিছু বিষয়ে এখনও দূরত্ব রয়ে গেছে।
তেহরান কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আরও বিস্তারিত তথ্য নিয়ে ফিরে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সময়ে ইরান তাদের দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় রকেট উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা করেছে। যুক্তরাষ্ট্রও যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে। স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, ইরান ২০২৪ সালে ইসরায়েলি বোমা হামলার স্থানে নতুন স্থাপনা নির্মাণ করেছে।
এছাড়া রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, দেশটি মঙ্গলবার কয়েক ঘণ্টার জন্য হরমুজ প্রণালি বন্ধ করেছিল। এদিকে, জেনেভায় ইউক্রেন ও রাশিয়ার দুই দিনের শান্তি আলোচনা কোনো অগ্রগতি ছাড়াই শেষ হয়েছে। বাজার সূত্র জানিয়েছে, গত সপ্তাহে মার্কিন অপরিশোধিত তেল, পেট্রোল ও ডিস্টিলেটের মজুত কমেছে।
পূর্বানুমান অনুযায়ী, ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সপ্তাহে অপরিশোধিত তেলের মজুত ২.১ মিলিয়ন ব্যারেল বাড়ার কথা ছিল। বৃহস্পতিবার মার্কিন জ্বালানি তথ্য প্রশাসন আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন প্রকাশ করবে।