গত এক দশকে বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে সক্ষমতা বাড়লেও, সংকটও বেড়েছে পাল্লা দিয়ে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সংখ্যা বেড়েছে কিন্তু জ্বালানি সরবরাহ, আমদানি নির্ভরতা আর দুর্বল অবকাঠামো এই খাতের বড় সীমাবদ্ধতা।
নতুন সরকার যখন দায়িত্বভার নিয়েছে তখন বিদ্যুৎ খাতে বকেয়ার পরিমাণ প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা। বিগত সরকারের রেখে যাওয়া বকেয়া ঋণের চাপ, ব্যয়বহুল চুক্তির সাথে জ্বালানি খাতে চোখ রাঙাচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের তীব্রতা বাড়লে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে দেশের জ্বালানি খাতে।
এদিকে আসন্ন গ্রীষ্ম মৌসুমে চাহিদামতো সেচ সুবিধা দিতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহকেও রাখতে হচ্ছে বিবেচনায়। এমন বাস্তবতায় সরকারের ১৮০ দিনের পরিকল্পনায় জ্বালানি খাতে আর্থিক সচ্ছলতা ফেরানোসহ গ্যাস সংকট কাটানোই বড় পরীক্ষা বিএনপির সামনে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদ্যুৎ খাত সংস্কারে সিস্টেম লস কমানো, চুক্তি পুনর্মূল্যায়ন, আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিতে সরকারকে নজর দেয়া উচিত।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ এম. শামসুল আলম বলেন, ‘আদানি চুক্তিসহ সকল চুক্তি, দুর্নীতির মাধ্যমে কৃত চুক্তি বাতিল করতে পারবে। অতিরিক্ত ব্যয় নেগোসিয়েশন করে বাধ্যতামূলকভাবে তা যৌক্তিক করতে পারবে। এসব করার সুযোগ উন্মুক্ত হবে আইনের দৃষ্টিতে। উচ্চমূল্যে যে বিদ্যুৎ উৎপাদন তরল জ্বালানি ভিত্তিক এসব বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করে দিতে হবে।’
এদিকে, শিল্পখাতে জ্বালানি সংকট কাটাতে এলপিজি আমদানি অব্যাহত রাখা ও সংরক্ষণ প্রক্রিয়া তরান্বিত করতে এই খাতে অর্থ বরাদ্দ বাড়ানো ও খরচের ক্ষেত্রে জবাবদিহিতা নিশ্চিতের তাগিদ বিশেষজ্ঞদের।















