এ কে এম সুমন: মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এখন শুধু রাষ্ট্র বনাম রাষ্ট্রের লড়াই নয়। এটি মানুষের নিরাপত্তা, ভবিষ্যৎ এবং বেঁচে থাকার অনিশ্চয়তার গল্প। একদিকে ইসরায়েল ও তার পশ্চিমা মিত্ররা অন্যদিকে নিজেকে ঘিরে ধরার অভিযোগ তুলে প্রতিরোধের প্রস্তুতিতে দাঁড়িয়ে থাকা ইরান।
গাজা যুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি দ্রুত বদলে গেছে। যুক্তরাষ্ট্র-এর সামরিক উপস্থিতি এবং আঞ্চলিক উত্তেজনার জবাবে ইরান দেখাচ্ছে তার প্রতিরোধ সক্ষমতা। ক্ষেপণাস্ত্র মহড়া ড্রোন প্রদর্শন সামরিক প্রস্তুতি… কিন্তু এসব দৃশ্যের আড়ালে আছে এক অদৃশ্য বাস্তবতা।
ইরানের অবস্থান এখন শুধু কৌশলগত না এটা তাদের দৃষ্টিতে আত্মরক্ষার প্রশ্ন। তাদের ভাষায় যা “বেঁচে থাকার অধিকার”।
একই সময়ে সৌদি আরব থেকে তুরস্ক — অনেক দেশ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন। কারণ সংঘাত বাড়লে এর প্রভাব পড়বে জ্বালানি বাজারে খাদ্য সরবরাহে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় অর্থাৎ সরাসরি মানুষের জীবনে।
বিশ্লেষকরা বলছেন এটি এখন আর শুধু সামরিক শক্তির প্রশ্ন নয় এটি আস্থার সংকটও। এক পক্ষ মনে করছে নিজেকে ঘিরে ফেলা হচ্ছে অন্য পক্ষ মনে করছে প্রভাব বিস্তার ঠেকানো জরুরি।
মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তেজনার মাঝে সবচেয়ে বড় সত্য হয়তো এটাই — রাষ্ট্রগুলো শক্তি দেখায় কিন্তু যুদ্ধের বোঝা বহন করে মানুষ। আজ ইরান দাঁড়িয়ে আছে একটি কৌশলগত লড়াইয়ের মধ্যে। কিন্তু সেই লড়াইয়ের প্রতিধ্বনি পৌঁছাচ্ছে ঘরে ঘরে।