পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। প্রায় তিন মাস পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরলেন মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন দল।
গত কয়েক মাসে আন্তর্জাতিক ম্যাচ না থাকলেও বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা ব্যস্ত ছিলেন ঘরোয়া ক্রিকেটে। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) শেষ করে তারা খেলেছেন অদম্য বাংলাদেশ টি–টোয়েন্টি কাপ এবং পরে বিসিএল ওয়ানডে টুর্নামেন্ট।
তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বিরতির কারণে সময়টা বেশ দীর্ঘ মনে হচ্ছিল। বিশেষ করে সাম্প্রতিক টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অনুপস্থিতি সেই বিরতিকে আরও আলোচনায় এনেছে।
এখন বাংলাদেশের লক্ষ্য ৫০ ওভারের ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করা। সামনে রয়েছে ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ, যেখানে সরাসরি খেলতে হলে র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষ ৯–এর মধ্যে থাকতে হবে।
বাংলাদেশ ওয়ানডে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ বলেন,
“এ বছর আমাদের ২২টি ওয়ানডে ম্যাচ রয়েছে। এটা আমাদের জন্য বড় সুযোগ। সামনে বিশ্বকাপ আছে, তাই র্যাঙ্কিং আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।”
অন্যদিকে পাকিস্তানও টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ব্যর্থতা কাটিয়ে ওয়ানডে দলে নতুনত্ব এনেছে। তাদের স্কোয়াডে রয়েছে ছয়জন অনভিষিক্ত ক্রিকেটার, যাদের মধ্যে চারজনই টপ-অর্ডার ব্যাটার।
বাংলাদেশ দলে বড় কোনো চমক না থাকলেও লিটন দাস ও আফিফ হোসেনকে আবারও দলে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। নির্বাচকদের মতে, স্পিনের বিপক্ষে লিটনের দক্ষতা তাকে দলে ফেরানোর অন্যতম কারণ।
সাম্প্রতিক সময়ে ওয়ানডে ফরম্যাটে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স খুব একটা ভালো নয়। সর্বশেষ পাঁচটি সিরিজের চারটিতেই হেরেছে বাংলাদেশ, এমনকি আফগানিস্তানের কাছেও এক বছরের মধ্যে দুটি সিরিজ হারের অভিজ্ঞতা রয়েছে।
তবে এই সিরিজে বাংলাদেশের প্রধান ভরসা বোলিং বিভাগ। স্কোয়াডে রয়েছেন তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান, রিশাদ হোসেন, তানভীর ইসলাম এবং অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। প্রয়োজনে পেস আক্রমণে যোগ দিতে প্রস্তুত আছেন শরীফুল ইসলাম ও নাহিদ রানা।