দেশে টিকা সরবরাহে ঘাটতির মধ্যে বায়ুবাহিত রোগ Measles-এর প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় জনস্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকার পর্যাপ্ত মজুত না থাকলে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (EPI) হুমকির মুখে পড়তে পারে।
সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, দেশে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ টিকার মজুত আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে।
অন্যদিকে আইপিভি, এইচপিভি ও টিসিভি টিকার কিছু মজুত থাকলেও সামগ্রিক সংকট কাটাতে তা যথেষ্ট নয়।
স্বাস্থ্য খাত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, টিকাদান কর্মসূচি সচল রাখতে বছরে প্রায় ১,৫০০ কোটি টাকার প্রয়োজন হয়। তবে বরাদ্দ ও ক্রয় প্রক্রিয়ার জটিলতায় সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে।
স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের মতে, টিকা ক্রয়ের ক্ষেত্রে পরিকল্পনার ঘাটতি ও প্রশাসনিক জটিলতা পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বরাদ্দের মধ্যে থেকে টিকা কেনার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। ইতোমধ্যে কিছু টিকা ক্রয় করা হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার মাধ্যমে আরও টিকা সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশে Expanded Programme on Immunization (ইপিআই) কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন টিকা বিনামূল্যে দেওয়া হয়। এসব টিকা যক্ষ্মা, পোলিও, হাম, রুবেলা, নিউমোনিয়া, টাইফয়েডসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা র
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দ্রুত টিকার সরবরাহ নিশ্চিত করা না গেলে সংক্রামক রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে, বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে। তারা জরুরি ভিত্তিতে—