ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের শেষ ওয়ানডে ম্যাচে সৌম্য সরকার এবং সাইফ হাসান মিরপুরের ওপেনিংয়ে ১৭৬ রানের জুটি গড়েন। এটি দুইজনের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ দিন, কারণ সাত মাস পর ওয়ানডেতে ফিরেছেন সৌম্য, আর সাইফ পেয়েছেন নিজের প্রথম ওয়ানডে ফিফটি।
সৌম্য ৮৬ বলে ৯১ রান করেন, যেখানে ৭টি চার এবং ৪টি ছক্কা রয়েছে। ম্যাচ শেষে তিনি সাইফকে প্রশংসায় ভাসিয়ে বলেন, “ও দারুণ ব্যাট করেছে। শট সিলেকশন চমৎকার ছিল। সমস্যা থাকা সত্ত্বেও—ওর শ্বাসকষ্ট থাকা—সাইফ লড়াই করেছে। সেটার জন্য তার প্রশংসা করা উচিত।”
অন্যদিকে জ্বর-ঠান্ডা থাকা সত্ত্বেও ৭২ বলে ৮০ রান করা সাইফও সৌম্যের অবদানকে বিশেষভাবে মনে রাখেন। তিনি বলেন, “দাদা আজ অনেক সাহায্য করেছে। তিন দিন ধরে জ্বর-ঠান্ডা ছিল, তবু দাদার সঙ্গে ব্যাট করতে সব সময় স্বচ্ছন্দ বোধ করি। শতক না পাওয়ায় কিছুটা আক্ষেপ আছে, তবে দলের জন্য অবদান রাখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।”
ম্যাচে বাংলাদেশ ১৭৯ রানে জয় অর্জন করে। সৌম্য বলেন, “শতক না পাওয়ায় কোনো আফসোস নেই। উইকেট কঠিন ছিল। তাই এমন জুটি গড়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ, সেটা করতে পেরে খুশি।”
ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে তিন ম্যাচে সৌম্য করেছেন ১৪০ রান, গড় ৪৬.৩৭ এবং স্ট্রাইক রেট ৭৭.৩৫। কঠিন স্পিন-সহায়ক উইকেটে তিনি শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন এবং রিভার্স সুইপ শটের মাধ্যমে রান করার গতি ধরে রেখেছিলেন।
সাইফ ম্যাচের মানসিক দিকের গুরুত্বও তুলে ধরেন, “উইকেট আগের দুই ম্যাচের মতোই ছিল। পার্থক্য শুধু আমাদের মানসিকতায়—ইতিবাচক চিন্তা নিয়ে খেলতে নামাটাই ভালো ফল দিয়েছে।”
দুই ওপেনারের ধারাবাহিক পারফরম্যান্স বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করেছে এবং সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে নতুন মাইলফলক তৈরি করেছে।