সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৯৩ শিক্ষানবিশ এএসপিকে বদলি রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার সাতক্ষীরা-১ আসনের সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম চা শিল্পের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর ধেয়ে আসছে মৌসুমি নিম্নচাপ, বৃদ্ধি পাচ্ছে বাতাসের গতিবেগ এক যুবককে একসঙ্গে বিয়ে করেছেন তিন বোন চিকিৎসার জন্য কোথায় যাবেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অক্টোবরে ভারতে খেলতে পারে ব্রাজিল, আলোচনায় বাংলাদেশও বিরামপুর সীমান্তে ৯ নারীকে ‘পুশ-ইন’ চেষ্টার অভিযোগ, প্রতিহত করল বিজিবি সেকেন্ড-হ্যান্ড স্মার্টফোন কেনার আগে যে ৭ বিষয় অবশ্যই যাচাই করবেন সান্তোসের ম্যাচ চলাকালে পোকার টুর্নামেন্টে নেইমার, নেটদুনিয়ায় বিতর্ক

ঠাকুরগাঁওয়ে মেকানিকের ব্যাটারিচালিত মোটরসাইকেল, এক চার্জে চলছে ১২০ কিমি

  • সবশেষ আপডেট : শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৭২ জন সংবাদটি দেখেছেন

জ্বালানি তেলের সংকট ও বাড়তি যাতায়াত খরচের মধ্যে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে এক তরুণ মেকানিক তৈরি করেছেন ব্যাটারিচালিত মোটরসাইকেল। স্বল্প খরচে চলা এই বাইকটি ইতোমধ্যেই এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

রাণীশংকৈল উপজেলার মহলবাড়ী এলাকার বাসিন্দা রতন মহন্ত, পিতা সুরেন মহন্ত। পেশায় অটোভ্যান মেকানিক রতন তার কর্মজীবন শুরু করেছিলেন সাইকেল মেরামতের কাজ দিয়ে। বর্তমানে পৌর শহরের কলেজ রোডে তার একটি যন্ত্রাংশের দোকান রয়েছে।

রতন জানান, ২০১৯ সালে একটি পুরাতন ১০০ সিসি সুজুকি মোটরসাইকেল কেনার পর থেকেই তিনি বারবার যান্ত্রিক সমস্যায় পড়েন। একই সঙ্গে জ্বালানি খরচ বেড়ে যাওয়ায় বিকল্প চিন্তা করতে শুরু করেন তিনি।

একপর্যায়ে তিনি বাইকটির ইঞ্জিন সম্পূর্ণ খুলে ফেলে সেটিকে বৈদ্যুতিক ব্যবস্থায় রূপান্তর করার সিদ্ধান্ত নেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ইঞ্জিনের জায়গায় বসানো হয় ১২ ভোল্টের চারটি ব্যাটারি এবং একটি অটোরিকশার শক্তিশালী মোটর।

এভাবে তৈরি করা বাইকটি এখন একবার চার্জে প্রায় ১২০ কিলোমিটার চলতে সক্ষম। এতে বিদ্যুৎ খরচ হয় মাত্র ৫ থেকে ৬ টাকা, যেখানে একই দূরত্বে সাধারণ মোটরসাইকেলে জ্বালানি খরচ হয় প্রায় ৪০০ টাকা।

রতন মহন্ত বলেন, “শুরুর দিকে অনেকেই বিষয়টি বিশ্বাস করেনি, কেউ কেউ হাসাহাসিও করেছে। কিন্তু আমি চেষ্টা চালিয়ে গেছি। এখন মানুষ আগ্রহ দেখাচ্ছে, অনেকেই নিজের বাইক পরিবর্তন করতে চাচ্ছে।”

তার এই উদ্ভাবন দেখতে প্রতিদিনই ভিড় জমছে তার বাড়িতে। স্থানীয় মোটরসাইকেল চালকরাও ব্যাটারিচালিত ব্যবস্থায় রূপান্তরের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করছেন।

প্রতিবেশী আবু হানিফ বলেন, “তেলের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। কিন্তু রতন খুব সহজেই কম খরচে চলাচল করছে। আমিও এখন এমন পরিবর্তনের কথা ভাবছি।”

সচেতন মহলের মতে, পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার ও খরচ সাশ্রয়ের দিক থেকে এমন উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ। তারা বলছেন, সরকারি সহায়তা ও প্রযুক্তিগত পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এ ধরনের উদ্ভাবন আরও বিস্তৃত হতে পারে।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com