সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৯৩ শিক্ষানবিশ এএসপিকে বদলি রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার সাতক্ষীরা-১ আসনের সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম চা শিল্পের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর ধেয়ে আসছে মৌসুমি নিম্নচাপ, বৃদ্ধি পাচ্ছে বাতাসের গতিবেগ এক যুবককে একসঙ্গে বিয়ে করেছেন তিন বোন চিকিৎসার জন্য কোথায় যাবেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অক্টোবরে ভারতে খেলতে পারে ব্রাজিল, আলোচনায় বাংলাদেশও বিরামপুর সীমান্তে ৯ নারীকে ‘পুশ-ইন’ চেষ্টার অভিযোগ, প্রতিহত করল বিজিবি সেকেন্ড-হ্যান্ড স্মার্টফোন কেনার আগে যে ৭ বিষয় অবশ্যই যাচাই করবেন সান্তোসের ম্যাচ চলাকালে পোকার টুর্নামেন্টে নেইমার, নেটদুনিয়ায় বিতর্ক

তিস্তার চরে বাম্পার ফলন, শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতি প্রায় ২ কোটি টাকার

  • সবশেষ আপডেট : সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৭৩ জন সংবাদটি দেখেছেন

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার তিস্তা নদীর চরাঞ্চলে চলতি মৌসুমে মরিচসহ বিভিন্ন ফসলের বাম্পার ফলন হলেও শিলাবৃষ্টি ও অতিবৃষ্টিতে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকরা। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ৫৬৩ কৃষকের প্রায় দুই কোটি টাকার ফসল নষ্ট হয়েছে বলে জানিয়েছে উপজেলা কৃষি অফিস।

ক্ষতিগ্রস্ত ফসলের মধ্যে রয়েছে ভুট্টা, চিনা, শাকসবজি, মরিচ, পেঁয়াজ ও কালোজিরা। এর মধ্যে মরিচ ও পেঁয়াজ চাষিরাই সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন। উৎপাদনের পাশাপাশি বাজারে ন্যায্য দাম না পাওয়ায় লোকসানের আশঙ্কা আরও বেড়েছে।ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের চরাঞ্চল ঘুরে দেখা যায়, মাইলের পর মাইল জুড়ে সবুজ ফসলের সমারোহ। বাদাম, চিনা, তিল, তিশি, পেঁয়াজ ও মরিচের আবাদে ভরে আছে চরের বিস্তীর্ণ এলাকা। তবে এই দৃশ্যের আড়ালে লুকিয়ে আছে কৃষকদের হতাশা।উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ৮১৫ হেক্টর জমিতে মরিচ ও পেঁয়াজের চাষ হয়েছে। মৌসুমের শুরুতে অনুকূল আবহাওয়ার কারণে কৃষকরা ভালো দাম পেলেও পরে অতিবৃষ্টির আশঙ্কায় অপরিপক্ব মরিচ একযোগে বাজারে তোলায় দাম হঠাৎ কমে যায়।রাজারহাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফন্নাহার সাথী বলেন, ফলন ভালো হলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগে কিছু ক্ষতি হয়েছে। তবে কৃষকরা তাদের পরিশ্রম দিয়ে তা পুষিয়ে নিতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, তিস্তার চরাঞ্চলে এ মৌসুমে ৮ হাজার ৫২৮ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন ফসলের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে শিলাবৃষ্টি ও অতিবৃষ্টিতে ৫১৭ দশমিক ৫ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে ২৯৬ হেক্টরের ফসল সম্পূর্ণ নষ্ট। এতে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা থেকে প্রায় ৩ হাজার ২২ দশমিক ৮২ টন ফসল কম হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।স্থানীয় কৃষকরা ক্ষতিপূরণ ও কৃষি সহায়তা পাওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com