বাংলাদেশের আলু এখন আন্তর্জাতিক বাজারে জায়গা করে নিচ্ছে। উত্তরাঞ্চলের খেত থেকে উঠে আসা এই আলুই বদলে দিচ্ছে কৃষকের অর্থনৈতিক চিত্র, তৈরি করছে নতুন রপ্তানি সম্ভাবনা।
দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলায় উত্তম কৃষি চর্চা (GAP) পদ্ধতিতে উৎপাদিত “সানশাইন” জাতের আলু ইতোমধ্যেই দেশের গণ্ডি পেরিয়ে রপ্তানি হচ্ছে মালয়েশিয়া, ভুটান, নেপাল ও শ্রীলঙ্কা-এ।
এই আলুর ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকদের মুখে ফিরেছে স্বস্তি। স্থানীয় চাষিরা জানান, অন্যান্য জাতের তুলনায় “সানশাইন” আলু চাষ করে তারা বেশি লাভবান হচ্ছেন।
বিদেশে রপ্তানির আগে আলুকে কঠোর বাছাই ও প্যাকেজিং প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। এই প্রক্রিয়াকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ। স্থানীয় নারী ও বেকার যুবকেরা এতে যুক্ত হয়ে আয় করছেন, যার ফলে অনেক পরিবারের আর্থিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে।
তবে সম্ভাবনার পাশাপাশি কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে। রপ্তানিকারকরা বলছেন, জ্বালানি সংকট এবং বাজারে দামের ওঠানামার কারণে উৎপাদন ও পরিবহন খরচ বাড়ছে, ফলে লাভের পরিমাণ কমে যাচ্ছে।
কৃষি বিভাগ জানায়, নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও তদারকির ফলে কৃষকরা এখন আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে আলু উৎপাদনে সক্ষম হচ্ছেন। এতে রপ্তানির সুযোগ আরও বিস্তৃত হচ্ছে।