মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
৯৩ শিক্ষানবিশ এএসপিকে বদলি রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার সাতক্ষীরা-১ আসনের সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম চা শিল্পের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর ধেয়ে আসছে মৌসুমি নিম্নচাপ, বৃদ্ধি পাচ্ছে বাতাসের গতিবেগ এক যুবককে একসঙ্গে বিয়ে করেছেন তিন বোন চিকিৎসার জন্য কোথায় যাবেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অক্টোবরে ভারতে খেলতে পারে ব্রাজিল, আলোচনায় বাংলাদেশও বিরামপুর সীমান্তে ৯ নারীকে ‘পুশ-ইন’ চেষ্টার অভিযোগ, প্রতিহত করল বিজিবি সেকেন্ড-হ্যান্ড স্মার্টফোন কেনার আগে যে ৭ বিষয় অবশ্যই যাচাই করবেন সান্তোসের ম্যাচ চলাকালে পোকার টুর্নামেন্টে নেইমার, নেটদুনিয়ায় বিতর্ক

সুনামগঞ্জে বিএনপি-যুবলীগ সমর্থকদের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত অন্তত ৩০

  • সবশেষ আপডেট : বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
  • ৬১ জন সংবাদটি দেখেছেন

সুনামগঞ্জের Dirai উপজেলায় রাজনৈতিক আধিপত্য ও পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে যুবলীগ নেতা আব্দুল মুহিত এবং বিএনপি নেতা শাহাদীব মেম্বারের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে একজন নিহত ও অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেলে উপজেলার ভাটিপাড়া ইউনিয়নের আলিনগর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

নিহত রতন মিয়া বিএনপি নেতা শাহাদীব মেম্বারের সমর্থক বলে জানিয়েছে স্থানীয় সূত্র।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, ভাটিপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য শাহাদীব মেম্বার এবং আলিনগর গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুহিতের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে একাধিক মামলাও রয়েছে।

সপ্তাহখানেক আগে ঘটে যাওয়া আরেকটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল।

মঙ্গলবার বিকেলে ভাটিপাড়া বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে শাহাদীব মেম্বারকে প্রতিপক্ষের লোকজন আটকিয়ে মারধর করে বলে অভিযোগ ওঠে। খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন। সংঘর্ষ চলাকালে কয়েকটি বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

আহতদের মধ্যে আব্দুল মুহিত পক্ষের অন্তত ২০ জনকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল ও Sylhet MAG Osmani Medical College Hospital-এ ভর্তি করা হয়েছে।

এ ছাড়া শাহাদীব মেম্বারের পক্ষের আহত ১০ জন দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। গুরুতর আহত আল আমিন (২৬) ও সোনাই মিয়া (৭৫)-কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

খবর পেয়ে দিরাই থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

তবে অভিযুক্ত দুই পক্ষের নেতারা পলাতক থাকায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তাদের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরেও একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

দিরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এনামুল হক চৌধুরী বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com