বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কৌশলগত অংশীদারত্বে কর্মীদের কল্যাণে নতুন উদ্যোগ আকিজ রিসোর্সের তরুণদের চাকরিপ্রার্থী নয় উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার সমাজকল্যাণমন্ত্রী শক্তি বাড়ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের, বুধবার অন্ধ্র উপকূলে আঘাতের শঙ্কা পীরগঞ্জে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবকের বাড়িসহ তিন বাড়িতে হামলা, গ্রেপ্তার ২ অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে চট্টগ্রামে জামায়াত নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি ২৯ অক্টোবর হচ্ছে না এইচএসসির ফল, নতুন তারিখ ৩১ অক্টোবর ৩৫০ বছর আগে বিলুপ্ত ডোডো পাখি পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনছেন বিজ্ঞানীরা! ১ নভেম্বর চার মাসের বকেয়াসহ বাড়তি বেতন, তবে পাচ্ছেন না সবাই ভুয়া বিলের মাধ্যমে রেলওয়ের ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, দুদকের মামলা ১৪ জনের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ঘিরে পীরগঞ্জে তিন হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

ঘুষ না দেওয়ায় প্রতিপক্ষের পক্ষে রায় দেওয়ার অভিযোগ এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে

  • সবশেষ আপডেট : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬
  • ১২৮ জন সংবাদটি দেখেছেন

বৈধ কাগজপত্র ও আদালতের রায় থাকার পরও ঘুষ না দেওয়ায় প্রতিপক্ষের পক্ষে রায় দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রৌমারী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রাফিউর রহমানের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী জমির উদ্দিন।

রোববার (১০ মে) কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক বরাবর এ অভিযোগ দাখিল করা হয়। অভিযোগে ভূমি অফিসের প্রধান সহকারী তপন কুমার ও চেইনম্যান এনামুল হকের বিরুদ্ধেও অনিয়ম ও ঘুষ দাবির অভিযোগ আনা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, রৌমারী উপজেলার বাগুয়ারচর গ্রামের আব্দুল হামিদের ওয়ারিশরা দীর্ঘদিন ধরে পৈতৃক সূত্রে পাওয়া জমিতে বসবাস করে আসছেন। এসএ রেকর্ডে ত্রুটি থাকায় তারা ১৯৮৪ সালে আদালতে মামলা করেন। পরে ১৯৮৫ সালে আদালত তাদের পক্ষে রায় দেন। সেই রায়ের ভিত্তিতে নামজারি করে নিয়মিত ভূমি উন্নয়ন করও পরিশোধ করে আসছিলেন তারা।

সম্প্রতি নাগেশ্বরী উপজেলার আব্দুল হাই ও বাগুয়ারচর গ্রামের মোহাম্মদ আলী ওই নামজারি বাতিলের জন্য রৌমারী উপজেলা ভূমি অফিসে দুটি মিসকেস আবেদন করেন।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, গত ১৮ মার্চ মামলার শুনানির তারিখ জানতে ভূমি অফিসে গেলে এসিল্যান্ড তাকে অফিসের প্রধান সহকারী তপন কুমার ও চেইনম্যান এনামুল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। পরে তারা রায়ের বিনিময়ে ‘খরচাপাতি’ হিসেবে ৬ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন।

জমির উদ্দিনের দাবি, শুনানির তারিখ ৬ মে নির্ধারণ করা হলেও গোপনে গত ২৬ এপ্রিল তাদের অনুপস্থিতিতে প্রতিপক্ষের পক্ষে রায় দেওয়া হয়। রায়ের কপিতে তাদের উপস্থিত দেখানো হলেও বাস্তবে তারা শুনানিতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাননি।

তিনি অভিযোগ করেন, আদালতের বৈধ রায়ের কপিকেও ‘ভুয়া’ উল্লেখ করা হয়েছে। শুধুমাত্র ঘুষ না দেওয়ায় তাদের পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে নয়ছয় করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।

বীর মুক্তিযোদ্ধা বদিউজ্জামান বদরও ঘুষ দাবির অভিযোগের সত্যতা দাবি করে বলেন, তার সামনেই অফিসের কর্মচারীরা ৬ লাখ টাকা দাবি করেছিলেন এবং টাকা দিলে রায় পক্ষে যাবে বলে জানিয়েছিলেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্টরা। চেইনম্যান এনামুল হক বলেন, তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করবেন না। প্রধান সহকারী তপন কুমার বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা।

রৌমারী সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রাফিউর রহমান বলেন, নথিপত্র অনুযায়ীই রায় দেওয়া হয়েছে। কেউ অসন্তুষ্ট হলে রিভিউ করার সুযোগ রয়েছে। ঘুষ নেওয়ার অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেন।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com