মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ০১:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আদিতমারীতে বাকবিতণ্ডা থেকে সংঘর্ষ, ছুরিকাঘাতে কিশোর নিহত ড. ইউনূসসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করার আবেদন খারিজ পীরগঞ্জে মাদক ও জুয়ামুক্ত সমাজ গঠনে সেমিনার অনুষ্ঠিত রোগী হয়রানির অভিযোগে দালালকে দিয়ে ড্রেন পরিষ্কার করালো ছাত্রদল ছয় দফা দাবিতে রংপুরে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি ও মানববন্ধন মিঠাপুকুরে বিষাক্ত অ্যালকোহল পানে ৫ মৃত্যুর ঘটনায় দুই আসামি গ্রেপ্তার নির্বাচিত হওয়ার একদিন পরই বিসিবির পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ মীর শাকরুল আলম সীমান্তের কর্ণফুলী নদী থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার বাজেটের অর্থ অপচয়ের অধিকার কাউকে দেয়নি জনগণ: চরমোনাই পীর সৈয়দপুরে লাশ নিয়ে এলাকাবাসীর থানা ঘেরাও

কুড়িগ্রামে ক্ষুরা রোগের প্রাদুর্ভাব, মারা যাচ্ছে গরু

  • সবশেষ আপডেট : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬
  • ১৯ জন সংবাদটি দেখেছেন

কুড়িগ্রামে গবাদিপশুর মধ্যে ভয়াবহভাবে ছড়িয়ে পড়েছে ক্ষুরা রোগ। ইতোমধ্যে আক্রান্ত হয়ে অন্তত ৯টি গরুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। জেলার কুড়িগ্রাম সদর, রাজারহাট ও ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় শত শত গবাদিপশু আক্রান্ত হওয়ায় কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন খামারিরা।

সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে কুড়িগ্রাম সদরের কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের হরিশ্বর জোৎগোবরধন এলাকায়। স্থানীয়দের দাবি, গত এক সপ্তাহে সেখানে একটি গর্ভবতী গাভিসহ দুটি গরু মারা গেছে। এছাড়া এলাকায় আরও ২০ থেকে ২৫টি গরু আক্রান্ত হয়েছে।

আক্রান্ত গরুগুলোর মুখ ও পায়ে ঘা, জ্বর, লালা ঝরা এবং খাবার গ্রহণে অনীহার মতো উপসর্গ দেখা দিচ্ছে। ফলে অনেক খামারি আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।

জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, আসন্ন কোরবানি ঈদ উপলক্ষে কুড়িগ্রামে প্রায় ১ লাখ ১৬ হাজার গরু এবং ১ লাখ ৮০ হাজার ছাগল ও ভেড়া প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে ক্ষুরা রোগের সংক্রমণ বাড়তে থাকায় খামারিদের মধ্যে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

প্রাণিসম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত জেলার তিনটি উপজেলায় প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ গরু আক্রান্ত হয়েছে। প্রতিদিনই নতুন আক্রান্তের খবর পাওয়া যাচ্ছে। ভাইরাসজনিত হওয়ায় রোগটি দ্রুত এক পশু থেকে অন্য পশুতে ছড়িয়ে পড়ছে।

সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, ঈদের আগে পশুর হাট ও পরিবহন কার্যক্রম বাড়লে সংক্রমণ আরও বিস্তার লাভ করতে পারে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে প্রাণিসম্পদ বিভাগ। আক্রান্ত পশুকে চিকিৎসা দেওয়া, খামারিদের সচেতন করা এবং সংক্রমণ রোধে বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. হাবিবুর রহমান বলেন, তিনটি উপজেলায় সংক্রমণের মাত্রা বেশি হলেও অন্যান্য উপজেলাতেও রোগ শনাক্ত হচ্ছে। আক্রান্ত পশুর চিকিৎসা ও খামারিদের সচেতন করতে প্রাণিসম্পদ বিভাগের টিম নিয়মিত কাজ করছে।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© All rights reserved © 2025 rnbnews24
Theme Download From ThemesBazar.Com