বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কৌশলগত অংশীদারত্বে কর্মীদের কল্যাণে নতুন উদ্যোগ আকিজ রিসোর্সের তরুণদের চাকরিপ্রার্থী নয় উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার সমাজকল্যাণমন্ত্রী শক্তি বাড়ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের, বুধবার অন্ধ্র উপকূলে আঘাতের শঙ্কা পীরগঞ্জে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবকের বাড়িসহ তিন বাড়িতে হামলা, গ্রেপ্তার ২ অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে চট্টগ্রামে জামায়াত নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি ২৯ অক্টোবর হচ্ছে না এইচএসসির ফল, নতুন তারিখ ৩১ অক্টোবর ৩৫০ বছর আগে বিলুপ্ত ডোডো পাখি পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনছেন বিজ্ঞানীরা! ১ নভেম্বর চার মাসের বকেয়াসহ বাড়তি বেতন, তবে পাচ্ছেন না সবাই ভুয়া বিলের মাধ্যমে রেলওয়ের ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, দুদকের মামলা ১৪ জনের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ঘিরে পীরগঞ্জে তিন হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

কুড়িগ্রামে ক্ষুরা রোগের প্রাদুর্ভাব, মারা যাচ্ছে গরু

  • সবশেষ আপডেট : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬
  • ১৪১ জন সংবাদটি দেখেছেন

কুড়িগ্রামে গবাদিপশুর মধ্যে ভয়াবহভাবে ছড়িয়ে পড়েছে ক্ষুরা রোগ। ইতোমধ্যে আক্রান্ত হয়ে অন্তত ৯টি গরুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। জেলার কুড়িগ্রাম সদর, রাজারহাট ও ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় শত শত গবাদিপশু আক্রান্ত হওয়ায় কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন খামারিরা।

সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে কুড়িগ্রাম সদরের কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের হরিশ্বর জোৎগোবরধন এলাকায়। স্থানীয়দের দাবি, গত এক সপ্তাহে সেখানে একটি গর্ভবতী গাভিসহ দুটি গরু মারা গেছে। এছাড়া এলাকায় আরও ২০ থেকে ২৫টি গরু আক্রান্ত হয়েছে।

আক্রান্ত গরুগুলোর মুখ ও পায়ে ঘা, জ্বর, লালা ঝরা এবং খাবার গ্রহণে অনীহার মতো উপসর্গ দেখা দিচ্ছে। ফলে অনেক খামারি আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।

জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, আসন্ন কোরবানি ঈদ উপলক্ষে কুড়িগ্রামে প্রায় ১ লাখ ১৬ হাজার গরু এবং ১ লাখ ৮০ হাজার ছাগল ও ভেড়া প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে ক্ষুরা রোগের সংক্রমণ বাড়তে থাকায় খামারিদের মধ্যে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

প্রাণিসম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত জেলার তিনটি উপজেলায় প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ গরু আক্রান্ত হয়েছে। প্রতিদিনই নতুন আক্রান্তের খবর পাওয়া যাচ্ছে। ভাইরাসজনিত হওয়ায় রোগটি দ্রুত এক পশু থেকে অন্য পশুতে ছড়িয়ে পড়ছে।

সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, ঈদের আগে পশুর হাট ও পরিবহন কার্যক্রম বাড়লে সংক্রমণ আরও বিস্তার লাভ করতে পারে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে প্রাণিসম্পদ বিভাগ। আক্রান্ত পশুকে চিকিৎসা দেওয়া, খামারিদের সচেতন করা এবং সংক্রমণ রোধে বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. হাবিবুর রহমান বলেন, তিনটি উপজেলায় সংক্রমণের মাত্রা বেশি হলেও অন্যান্য উপজেলাতেও রোগ শনাক্ত হচ্ছে। আক্রান্ত পশুর চিকিৎসা ও খামারিদের সচেতন করতে প্রাণিসম্পদ বিভাগের টিম নিয়মিত কাজ করছে।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com