কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তের আটটি পৃথক পয়েন্ট দিয়ে শতাধিক ব্যক্তিকে বাংলাদেশে পুশইনের (অনুপ্রবেশ) চেষ্টা চালিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও স্থানীয় সীমান্তবাসীর প্রতিরোধে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) জামালপুর ব্যাটালিয়ন (৩৫ বিজিবি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মঙ্গলবার রাত ১টার দিকে জামালপুর ব্যাটালিয়নের অধীন বিভিন্ন বর্ডার অবজারভেশন পোস্ট (বিওপি) এলাকায় একযোগে পুশইনের চেষ্টা চালানো হয়। অভিযোগ রয়েছে, বিএসএফ সীমান্তের আলোকসজ্জা বন্ধ করে ‘থ্রি-টন’ ট্রাকে করে লোকজন এনে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করে। তবে বিজিবি সদস্য ও স্থানীয় জনতার সতর্ক অবস্থানের কারণে তাদের সেই পরিকল্পনা সফল হয়নি।
বিজিবির তথ্য অনুযায়ী, দাঁতভাঙ্গা বিওপি এলাকায় ৮ থেকে ১০ জন, মোল্লারচর এলাকায় ১০ থেকে ১২ জন, ইজলামারী এলাকায় ১২ থেকে ১৩ জন এবং খেয়ারচর এলাকায় ২৫ থেকে ৩০ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়। এছাড়া পাথরেরচর বিওপি এলাকায় ১৮ থেকে ২০ জন, বাঘারচর ও সাতানীপাড়া এলাকায় পৃথকভাবে ৭ থেকে ৮ জন এবং ঝাউডাঙ্গা বিওপি এলাকা দিয়ে আরও ৮ থেকে ১০ জনকে পুশইনের চেষ্টা চালানো হয়।
প্রতিটি ক্ষেত্রেই বিজিবি ও স্থানীয় সীমান্তবাসীর বাধার মুখে বিএসএফের অপচেষ্টা ব্যর্থ হয় বলে দাবি করা হয়েছে।
জামালপুর ৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক Lt. Col. Hasanur Rahman বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় বিজিবি কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এ ঘটনার পর সীমান্ত এলাকায় টহল ও নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে।
তিনি বলেন, “যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ কিংবা সীমান্তে অপতৎপরতা প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।”