রংপুর নগরীর বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক, হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালিয়ে অনিয়মের অভিযোগে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিনিধি দল।
সোমবার (২২ জুন) দুপুরে নগরীর ধাপ ও চেকপোস্ট এলাকায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ডা. মো. ইব্রাহিম টিটনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানকালে নিবন্ধন (লাইসেন্স) না থাকা ও বিভিন্ন অব্যবস্থাপনার অভিযোগে ল্যাব এইড ক্লিনিক অ্যান্ড নার্সিং হোমকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া মেয়াদোত্তীর্ণ চেতনানাশক ওষুধ ব্যবহারের অভিযোগে ফাস্ট কিউর স্পেশালাইজড হসপিটাল অ্যান্ড ট্রমা সেন্টারকে ২ লাখ টাকা এবং বিভিন্ন অনিয়মের কারণে আমার দেশ হাসপাতালকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি আরও কয়েকটি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে সতর্ক করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ডা. মো. ইব্রাহিম টিটন বলেন, “স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নির্দেশনায় রংপুরের বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স না থাকাসহ বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে জরিমানা করা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে গণমাধ্যম ও সচেতন নাগরিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা স্থানীয় প্রশাসনকে দেওয়া হবে।”
অভিযানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ডা. এসএম মাহমুদুর রশিদ, মেডিকেল অফিসার ডা. হাফিজুর রহমান, রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের কর্মকর্তা ডা. ফিরোজ হাসান খান, সিভিল সার্জন ডা. শাহীন সুলতানা ও মেডিকেল অফিসার ডা. অর্নিবান মল্লিক উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত আরা এবং সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কর্মকর্তারাও অভিযানে অংশ নেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করতে বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।