সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৯৩ শিক্ষানবিশ এএসপিকে বদলি রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার সাতক্ষীরা-১ আসনের সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম চা শিল্পের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর ধেয়ে আসছে মৌসুমি নিম্নচাপ, বৃদ্ধি পাচ্ছে বাতাসের গতিবেগ এক যুবককে একসঙ্গে বিয়ে করেছেন তিন বোন চিকিৎসার জন্য কোথায় যাবেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অক্টোবরে ভারতে খেলতে পারে ব্রাজিল, আলোচনায় বাংলাদেশও বিরামপুর সীমান্তে ৯ নারীকে ‘পুশ-ইন’ চেষ্টার অভিযোগ, প্রতিহত করল বিজিবি সেকেন্ড-হ্যান্ড স্মার্টফোন কেনার আগে যে ৭ বিষয় অবশ্যই যাচাই করবেন সান্তোসের ম্যাচ চলাকালে পোকার টুর্নামেন্টে নেইমার, নেটদুনিয়ায় বিতর্ক

কুড়িগ্রামে কমছে বন্যার শঙ্কা, ৩০ পয়েন্টে বাড়ছে নদীভাঙনের আতঙ্ক

  • সবশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬
  • ৫৪ জন সংবাদটি দেখেছেন

উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যার আশঙ্কা কিছুটা কমলেও কুড়িগ্রামে এখন নতুন করে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ভয়াবহ নদীভাঙন। জেলার ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদের পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয়েছে তীব্র ভাঙন।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল থেকে জেলার নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন নদীর পানি ৫ থেকে ১৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হ্রাস পেয়েছে। তবে নিচু এলাকার বিস্তীর্ণ ফসলি জমি এখনও পানির নিচে রয়েছে।

পাউবোর তথ্য অনুযায়ী, জেলার অন্তত ৩০টি পয়েন্টে নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে মুহূর্তেই নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, আবাদি জমি ও গাছপালা। ভাঙনকবলিত পরিবারগুলো ঘরবাড়ি হারানোর আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।

রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের কালিরমেলা এলাকার কৃষক রব্বানী ও রহিউদ্দিন জানান, তিস্তার পানিতে তাদের এক বিঘা বাদামক্ষেত তলিয়ে গেছে। দ্রুত পানি না নামলে পুরো ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি সবজি ও আউশ ধানেও ক্ষতির শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এদিকে নদীপারের বিভিন্ন এলাকায় ভাঙনের তীব্রতা বাড়তে থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। কোথাও কোথাও ইতোমধ্যে বসতঘর ও কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ময়দুল ইসলাম রনি বলেন, গতকাল থেকে ভারী বৃষ্টিপাত না হওয়ায় নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। স্থানীয়ভাবে নতুন করে অতিবৃষ্টি না হলে আপাতত বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা নেই।

অন্যদিকে কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, দ্রুত পানি নেমে গেলে নিমজ্জিত ফসলের ক্ষয়ক্ষতি অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে। এজন্য জমি থেকে পানি নেমে যাওয়ার পর কৃষকদের বিশেষ পরিচর্যা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

নদীবেষ্টিত কুড়িগ্রামের ভাঙনকবলিত মানুষ জরুরি সরকারি সহায়তা এবং টেকসই নদীভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com